ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিলেটে ব্যবসায়ী শাহাবউদ্দিন হত্যায় রেস্টুরেন্ট কর্মচারী জালালের স্বীকারোক্তি বেসিস নির্বাচন: ২৬ সেপ্টেম্বর ভোট, চূড়ান্ত তালিকা ৫ সেপ্টেম্বর ব্রুকলিনে বাংলাদেশি ইউসুফ হত্যা: ঘাতকের ছবি প্রকাশ করল নিউইয়র্ক পুলিশ চারজনের খুনের রহস্য উন্মোচনে ব্যর্থতা সরকারের চরম ব্যর্থতা: গোলাম পরওয়ার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ইমদাদুল হুদা সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট: সংস্কার নিয়ে ক্ষোভ ষড়ঋতুর সৌন্দর্য ও দেশপ্রেমের মেলবন্ধন: এক অনন্য বাংলাদেশ জয় বাংলা স্লোগান: শোকজ পেলেন সিরাজগঞ্জের বিএনপি নেতা মিন্টু শেখ নেপালের ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৩৮৯, নিখোঁজ ৯ শতাধিক মানুষ ফেনীতে খুঁটিতে বেঁধে গৃহবধূ ও যুবদল নেতাকে নির্যাতন, আটক ৩

রংপুরে চার খুনের ঘটনায় পুলিশের তথ্যের সঙ্গে ময়নাতদন্তের অমিল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার বাসিন্দা ও রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের বক্তব্য ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের মধ্যে গরমিল পাওয়া গেছে। সোমবার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেন।

ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস জানান, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তে কারও চোয়াল ভাঙার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া লাশগুলোর চেহারা নষ্ট করতে এসিড ব্যবহারের যে গুজব ছড়িয়েছিল, তার কোনো সত্যতাও ময়নাতদন্তে মেলেনি। চিকিৎসক ব্যাখ্যা করেন, লাশগুলো দীর্ঘ সময় পড়ে থাকার কারণে চেহারাগুলো ঝলসে যাওয়ার মতো আকার ধারণ করেছিল। তদন্তের স্বার্থে ময়নাতদন্তে সংগৃহীত বিভিন্ন নমুনা সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হবে বলেও তিনি জানান।

এর আগে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছিলেন যে, হত্যাকাণ্ডের শিকার আগামী চক্রবর্তীর গলা ও মুখে রশি পেঁচিয়ে এমনভাবে টানা হয়েছিল যে তার চোখ বেরিয়ে আসে এবং চোয়াল ভেঙে যায়। পুলিশের এই দাবির সঙ্গে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের রিপোর্টের অমিল এখন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির স্বজনরা কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ বাড়ির তালা ভেঙে চিলেকোঠায় গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), সিঁড়িতে স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫২) ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং দোতলার শোবার ঘরে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মৃতদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) সম্পর্কে মামাতো ভাই। মুগ্ধ সিটি বাজারের মাছের দোকানের কর্মচারী এবং সিদ্ধার্থ স্বর্ণের দোকানের কারিগর হিসেবে কাজ করত। 'মাদকসেবনে বাধা দেয়ায়' এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুরে চার খুনের ঘটনায় পুলিশের তথ্যের সঙ্গে ময়নাতদন্তের অমিল

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার বাসিন্দা ও রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের বক্তব্য ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের মধ্যে গরমিল পাওয়া গেছে। সোমবার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেন।

ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস জানান, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তে কারও চোয়াল ভাঙার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া লাশগুলোর চেহারা নষ্ট করতে এসিড ব্যবহারের যে গুজব ছড়িয়েছিল, তার কোনো সত্যতাও ময়নাতদন্তে মেলেনি। চিকিৎসক ব্যাখ্যা করেন, লাশগুলো দীর্ঘ সময় পড়ে থাকার কারণে চেহারাগুলো ঝলসে যাওয়ার মতো আকার ধারণ করেছিল। তদন্তের স্বার্থে ময়নাতদন্তে সংগৃহীত বিভিন্ন নমুনা সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হবে বলেও তিনি জানান।

এর আগে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছিলেন যে, হত্যাকাণ্ডের শিকার আগামী চক্রবর্তীর গলা ও মুখে রশি পেঁচিয়ে এমনভাবে টানা হয়েছিল যে তার চোখ বেরিয়ে আসে এবং চোয়াল ভেঙে যায়। পুলিশের এই দাবির সঙ্গে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের রিপোর্টের অমিল এখন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির স্বজনরা কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ বাড়ির তালা ভেঙে চিলেকোঠায় গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), সিঁড়িতে স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫২) ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং দোতলার শোবার ঘরে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মৃতদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) সম্পর্কে মামাতো ভাই। মুগ্ধ সিটি বাজারের মাছের দোকানের কর্মচারী এবং সিদ্ধার্থ স্বর্ণের দোকানের কারিগর হিসেবে কাজ করত। 'মাদকসেবনে বাধা দেয়ায়' এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin