শাড়ি নিয়ে প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা
- আপডেট সময় : ০২:৪৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন শপের শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই জামিন মঞ্জুর করা হয়।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছান তানজিন তিশা। সেখানে পৌঁছানোর পর কিছুক্ষণ নিজের গাড়িতে অপেক্ষা করে আদালতে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে বিপুলসংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে বেলা ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে মামলাটির শুনানি শুরু হয় এবং শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালত থেকে বের হয়ে এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তানজিন তিশা মামলাটিকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, সত্যের জয় সুনিশ্চিত এবং তিনি সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
মামলার মূল বিষয়বস্তু শাড়িটি নিয়ে অভিনেত্রী জানান, এটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল এবং এর বিনিময়ে শাড়িটির প্রচারণার যে প্রতিশ্রুতি ছিল, তা তিনি যথাযথভাবে পূরণ করেছেন। তিশার দাবি, শাড়িটি পরে অনেক আগেই তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছবি প্রকাশ করেছেন এবং নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পেজটিকেও মেনশন বা ট্যাগ করেছিলেন। এরপরও এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ফৌজদারি মামলা করাকে তিনি ‘নেগেটিভ মার্কেটিং’ এবং সস্তা প্রচার পাওয়ার কৌশল বলে মন্তব্য করেন।
তানজিন তিশা আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেজের কথিত মালিকের স্বামী একজন সরকারি সচিব হওয়ায় এই মামলায় ‘ক্ষমতার দারুণ অপব্যবহার’ করা হয়েছে। তবে সত্যের সামনে ক্ষমতার বড়াই টেকে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিশার ভাষ্যমতে, ফেসবুক পেজের ওই কথিত নারী মালিক বৃহস্পতিবার আদালতে উপস্থিত থাকলেও নিজেকে আড়ালে রেখেছিলেন।
উল্লেখ্য, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’র পক্ষ থেকে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে এই মামলাটি করা হয়েছিল। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তিশা ওই পেজ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি সংগ্রহ করেছিলেন। শাড়িটির প্রচারণা চালানো ও মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে বাদীপক্ষ দাবি করে।


























