ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি স্কুল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসারে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়-ফিফার যৌথ উদ্যোগ সালমান শাহ হত্যা মামলা: প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ৫ নভেম্বর ইরাক থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে সরকারকে আইনি নোটিশ আদাবরে বাড়ি দখলের মামলায় পুলিশের অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের উন্নয়নে কেউ বাধা হতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, যে বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দুইজন ব্যক্তি আছেন, সেই এলাকার উন্নয়ন কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ। তিনি উল্লেখ করেন, চট্টগ্রাম থেকে সরকারের অর্থ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দুইজন ব্যক্তির ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাঁশখালীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানান, এটি তাদের মূল পরিকল্পনার অংশ এবং শীঘ্রই এর কাজ শুরু হবে। এর আগে তিনি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারের হাতে টিনের ছাউনিযুক্ত নতুন ঘরের চাবি তুলে দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। এছাড়া সেখানে একটি মেহগনি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবারের মায়ের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। লবণ চাষিদের জন্য কৃষক কার্ডের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ধান ও পাটের মতো লবণ চাষিরাও এই কার্ডের সুবিধা পাবেন এবং শীঘ্রই লবণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

দেশের শিল্পায়নের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, মীরসরাই থেকে মাতারবাড়ী পর্যন্ত সমুদ্রসম্পদ ব্যবহার করে শিল্প-কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। চীনা বিনিয়োগের মাধ্যমে চট্টগ্রামে কয়েকশ কারখানা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিরসনে তিনি জানান, দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত জ্বালানি ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সময় লাগবে এবং আগামী ১০ বছরের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

জনগণকে বিভ্রান্তি ছড়ানো ব্যক্তিদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা না থাকলে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে। তিনি সরকারের লক্ষ্য হিসেবে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মানুষকে স্বাবলম্বী করে তোলা এবং তরুণ সমাজকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে কাজের সুযোগ তৈরির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের উন্নয়নে কেউ বাধা হতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, যে বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দুইজন ব্যক্তি আছেন, সেই এলাকার উন্নয়ন কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ। তিনি উল্লেখ করেন, চট্টগ্রাম থেকে সরকারের অর্থ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দুইজন ব্যক্তির ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাঁশখালীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানান, এটি তাদের মূল পরিকল্পনার অংশ এবং শীঘ্রই এর কাজ শুরু হবে। এর আগে তিনি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারের হাতে টিনের ছাউনিযুক্ত নতুন ঘরের চাবি তুলে দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। এছাড়া সেখানে একটি মেহগনি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবারের মায়ের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। লবণ চাষিদের জন্য কৃষক কার্ডের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ধান ও পাটের মতো লবণ চাষিরাও এই কার্ডের সুবিধা পাবেন এবং শীঘ্রই লবণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

দেশের শিল্পায়নের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, মীরসরাই থেকে মাতারবাড়ী পর্যন্ত সমুদ্রসম্পদ ব্যবহার করে শিল্প-কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। চীনা বিনিয়োগের মাধ্যমে চট্টগ্রামে কয়েকশ কারখানা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিরসনে তিনি জানান, দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত জ্বালানি ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সময় লাগবে এবং আগামী ১০ বছরের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

জনগণকে বিভ্রান্তি ছড়ানো ব্যক্তিদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা না থাকলে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে। তিনি সরকারের লক্ষ্য হিসেবে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মানুষকে স্বাবলম্বী করে তোলা এবং তরুণ সমাজকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে কাজের সুযোগ তৈরির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin