ঢাকা ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিলেট চেম্বারের নির্বাচন বাতিল, নতুন প্রশাসক এজাজ আহমদ সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরে ফিরলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফকির শওকত ইসরায়েলি নির্বাচনে ফিলিস্তিনিদের রক্তকে হাতিয়ার বানানো হচ্ছে: হামাস ইনস্টাগ্রাম পোস্ট লাইক করে নতুন বিতর্কে কৃতি স্যানন গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার ব্যর্থ: ডাকসু ভিপি নবীনগরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি: ৮ মাসে ১৩ হত্যা ও ২৪ অপমৃত্যু পেনাল্টি মিসের মাশুল, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে স্পেনের জয়যাত্রা শুরু চুয়েটে নতুন উপাচার্য প্রত্যাখ্যান, শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড ও বিক্ষোভ এশিয়ান গেমসে পদক জিতলে আরচারদের জন্য থাকছে নগদ অর্থ পুরস্কার চট্টগ্রামে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

হাসিনার ১৬ বছরে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ হত্যার শিকার: আইনমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে বিনা বিচারে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্মৃতির দর্পণে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি গত ১৬ বছরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিহত, গুমের শিকার এবং নির্যাতনের সম্মুখীন ব্যক্তিদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, হাসিনার শাসনামলে সাত শতাধিক মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন এবং বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ৬০ লাখেরও বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তিনি বলেন, বহু আগে মারা যাওয়া ব্যক্তি, হজে অবস্থানরত মানুষ কিংবা দুই হাত হারানো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বিরুদ্ধেও বোমা হামলার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা ছিল দীর্ঘ সংগ্রামের একটি অংশ।

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার মাধ্যমে জুলাইয়ের চেতনাকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। দীর্ঘদিন আবৃত্তিচর্চা দেশের শিল্প-সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হওয়া সত্ত্বেও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত ছিল। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় সংসদে আইন সংশোধনের মাধ্যমে আবৃত্তিকে দেশের শিল্প-সংস্কৃতির অন্যতম শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, আইনমন্ত্রীর সহধর্মিণী শিরিন সুলতানা, বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বক্তব্য রাখেন। আলোচনা শেষে আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

হাসিনার ১৬ বছরে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ হত্যার শিকার: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে বিনা বিচারে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্মৃতির দর্পণে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি গত ১৬ বছরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিহত, গুমের শিকার এবং নির্যাতনের সম্মুখীন ব্যক্তিদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, হাসিনার শাসনামলে সাত শতাধিক মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন এবং বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ৬০ লাখেরও বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তিনি বলেন, বহু আগে মারা যাওয়া ব্যক্তি, হজে অবস্থানরত মানুষ কিংবা দুই হাত হারানো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বিরুদ্ধেও বোমা হামলার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা ছিল দীর্ঘ সংগ্রামের একটি অংশ।

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার মাধ্যমে জুলাইয়ের চেতনাকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। দীর্ঘদিন আবৃত্তিচর্চা দেশের শিল্প-সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হওয়া সত্ত্বেও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত ছিল। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় সংসদে আইন সংশোধনের মাধ্যমে আবৃত্তিকে দেশের শিল্প-সংস্কৃতির অন্যতম শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, আইনমন্ত্রীর সহধর্মিণী শিরিন সুলতানা, বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বক্তব্য রাখেন। আলোচনা শেষে আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin