অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জগঠন
- আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীর আসামির অব্যাহতি চেয়ে করা আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছেন।
আদালতে শুনানিকালে উপস্থিত মতিউর রহমানকে অভিযোগ পড়ে শোনানো হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। এরপর তার পক্ষে আইনজীবী আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও আলহাজ্ব মো. বোরহান উদ্দিন জামিনের আবেদন করেন। তবে দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম জামিনের বিরোধিতা করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। শুনানিতে দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম এবং আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও বিডিআর বিদ্রোহ মামলার প্রসিকিউটর আলহাজ্ব মো. বোরহান উদ্দিন অংশ নেন।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করে। মামলায় তার বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। তদন্ত শেষে গত ৩ ফেব্রুয়ারি দুদক অভিযোগপত্র অনুমোদন করে। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মতিউর রহমান সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ডিবি পুলিশ মতিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে এবং তখন থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কোরবানির ঈদে ঢাকার মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ইফাত নামের এক তরুণের ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ছাগল কেনার একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে মতিউর রহমান আলোচনার কেন্দ্রে আসেন।




























