ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজায় সীমানা বাড়াচ্ছে ইসরাইল, ভিটেমাটি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে হাজারো পরিবার পবিপ্রবিতে নতুন ৬ তলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের নতুন লক্ষ্য ঠিক করলেন গোলরক্ষক গার্সিয়া প্রতিটি শিশুর স্বপ্নপূরণে সরকার কাজ করছে: ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশে পেপ্যাল ও পেওনিয়ারের পথ সুগম করতে নতুন নীতিমালা সাঁথিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দিনমজুরের দেড়শ মণ পেঁয়াজসহ সর্বস্ব পুড়ে ছাই ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত ও গুরুত্ব কিশোরগঞ্জের চাঁদ খোসালের মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১০ লাখ টাকা তিন প্রতিবন্ধীকে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাড়াইলে ১ কিলোমিটার কাঁচা সড়কে তিন গ্রামের হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত ও গুরুত্ব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ইসলামে ফরজ নামাজের পর বেশ কিছু আমল পালন করা অত্যন্ত জরুরি। এই আমলগুলো কেবল সওয়াব অর্জনের মাধ্যমই নয়, বরং পরকালে মানুষের নাজাতের পথ সুগম করে। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। এই আয়াতের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক হাদিসে উল্লেখ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে একমাত্র বাধা হলো মৃত্যু (নাসায়ি: ৯৯২৮)।

আয়াতুল কুরসির শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে হাদিসে আরও বর্ণনা রয়েছে। উবাই বিন কাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, কোরআন মাজিদের কোন আয়াতটি সর্বশ্রেষ্ঠ। জবাবে তিনি ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম’ বা আয়াতুল কুরসি পাঠ করেছিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তার বুকে মৃদু আঘাত করে তাকে ‘আবুল মুনজির’ বলে সম্বোধন করেন এবং এই জ্ঞান অর্জনের জন্য মোবারকবাদ জানান (মুসলিম: ১৩৯৬)।

এই আয়াতের বিশেষ ফজিলতের কারণ হলো, এতে আল্লাহর একত্ববাদের বর্ণনা এবং তাঁর গুণবাচক ১০টি বাক্য রয়েছে। এছাড়া শয়তানের প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য এই আয়াত অত্যন্ত কার্যকর।

আয়াতুল কুরসি হলো: আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম। লা তা খুজুহু সিনাতু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিস সামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরজ। মান জাল্লাজি ইয়াশ ফাউ ইনদাহু ইল্লা বি ইজনিহি, ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম মিন ইল মিহি ইল্লা বিমা শা আ, ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরজ, ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলি ইয়ুল আজিম।

এর অর্থ হলো: আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পেছনে যা কিছু রয়েছে, সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসি বা সিংহাসন সমস্ত আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত ও গুরুত্ব

আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
print news

ইসলামে ফরজ নামাজের পর বেশ কিছু আমল পালন করা অত্যন্ত জরুরি। এই আমলগুলো কেবল সওয়াব অর্জনের মাধ্যমই নয়, বরং পরকালে মানুষের নাজাতের পথ সুগম করে। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। এই আয়াতের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক হাদিসে উল্লেখ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে একমাত্র বাধা হলো মৃত্যু (নাসায়ি: ৯৯২৮)।

আয়াতুল কুরসির শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে হাদিসে আরও বর্ণনা রয়েছে। উবাই বিন কাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, কোরআন মাজিদের কোন আয়াতটি সর্বশ্রেষ্ঠ। জবাবে তিনি ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম’ বা আয়াতুল কুরসি পাঠ করেছিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তার বুকে মৃদু আঘাত করে তাকে ‘আবুল মুনজির’ বলে সম্বোধন করেন এবং এই জ্ঞান অর্জনের জন্য মোবারকবাদ জানান (মুসলিম: ১৩৯৬)।

এই আয়াতের বিশেষ ফজিলতের কারণ হলো, এতে আল্লাহর একত্ববাদের বর্ণনা এবং তাঁর গুণবাচক ১০টি বাক্য রয়েছে। এছাড়া শয়তানের প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য এই আয়াত অত্যন্ত কার্যকর।

আয়াতুল কুরসি হলো: আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম। লা তা খুজুহু সিনাতু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিস সামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরজ। মান জাল্লাজি ইয়াশ ফাউ ইনদাহু ইল্লা বি ইজনিহি, ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম মিন ইল মিহি ইল্লা বিমা শা আ, ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরজ, ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলি ইয়ুল আজিম।

এর অর্থ হলো: আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পেছনে যা কিছু রয়েছে, সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসি বা সিংহাসন সমস্ত আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh