ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশ ভ্যানের সামনে একাই দাঁড়িয়ে বাধা, কে এই রিয়া আহির? শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির রশি নিয়ে প্রস্তুত যুব সমাজ: জামায়াত আমির বিসিবির আচরণবিধি লঙ্ঘন: জরিমানা গুনছেন লিটন ও মেহেদী কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন নগরী করতে মহাপরিকল্পনা সরকারের আগামী শনিবার বা রোববার পদত্যাগ করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি চাপে বাংলাদেশ, বলছে আইইএ লাইফ সাপোর্টে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফিরছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই দেশে ফিরছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি চাপে বাংলাদেশ, বলছে আইইএ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিরতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের ২৩ জুলাই প্রকাশিত ‘ইলেকট্রিসিটি মিড-ইয়ার আপডেট ২০২৬’ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির ওপর ব্যাপক নির্ভরশীলতার কারণে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর বিদ্যুৎ খাত বর্তমানে বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় এই দেশগুলো জ্বালানি সরবরাহের সংকটে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়ের ব্যবস্থা নেওয়ায় বিদ্যুৎ ব্যবহারও কমে এসেছে।

আইইএর তথ্যমতে, ২০২২-২৩ সালের জ্বালানি সংকটের পর বর্তমানে এশিয়া ও ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যদিও উত্তর আমেরিকা থেকে অতিরিক্ত এলএনজি সরবরাহ বাজারের চাপ কিছুটা কমিয়েছে, তবুও গ্যাসের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক দেশ পুনরায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছে। সংস্থাটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে কয়েক মাস ধরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা চলছে, যার ফলে বাংলাদেশকে উচ্চমূল্যে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে এবং চলতি বছরও বিদ্যুতের চাহিদা চাপের মধ্যে থাকতে পারে।

সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, শিল্পায়ন, বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রসার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের চাহিদা বৃদ্ধি এবং ডেটা সেন্টারের মতো অবকাঠামোগত প্রসারের ফলে বিশ্বে বিদ্যুতের চাহিদা ২০২৬ সালে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়তে পারে। তবে এলএনজি-নির্ভর দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আইইএ। বিশেষ করে আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ খাতের অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে আশার কথা হলো, ২০২৬ সালেই নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎসে পরিণত হবে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্রুত প্রবৃদ্ধি একে জলবিদ্যুতের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম নবায়নযোগ্য উৎসে উন্নীত করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি চাপে বাংলাদেশ, বলছে আইইএ

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
print news

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিরতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের ২৩ জুলাই প্রকাশিত ‘ইলেকট্রিসিটি মিড-ইয়ার আপডেট ২০২৬’ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির ওপর ব্যাপক নির্ভরশীলতার কারণে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর বিদ্যুৎ খাত বর্তমানে বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় এই দেশগুলো জ্বালানি সরবরাহের সংকটে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়ের ব্যবস্থা নেওয়ায় বিদ্যুৎ ব্যবহারও কমে এসেছে।

আইইএর তথ্যমতে, ২০২২-২৩ সালের জ্বালানি সংকটের পর বর্তমানে এশিয়া ও ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যদিও উত্তর আমেরিকা থেকে অতিরিক্ত এলএনজি সরবরাহ বাজারের চাপ কিছুটা কমিয়েছে, তবুও গ্যাসের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক দেশ পুনরায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছে। সংস্থাটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে কয়েক মাস ধরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা চলছে, যার ফলে বাংলাদেশকে উচ্চমূল্যে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে এবং চলতি বছরও বিদ্যুতের চাহিদা চাপের মধ্যে থাকতে পারে।

সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, শিল্পায়ন, বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রসার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের চাহিদা বৃদ্ধি এবং ডেটা সেন্টারের মতো অবকাঠামোগত প্রসারের ফলে বিশ্বে বিদ্যুতের চাহিদা ২০২৬ সালে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়তে পারে। তবে এলএনজি-নির্ভর দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আইইএ। বিশেষ করে আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ খাতের অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে আশার কথা হলো, ২০২৬ সালেই নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎসে পরিণত হবে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্রুত প্রবৃদ্ধি একে জলবিদ্যুতের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম নবায়নযোগ্য উৎসে উন্নীত করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din