ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ হাজার লবণচাষি মাঠে নামার অপেক্ষায়, শঙ্কায় ন্যায্যমূল্য ইরান যুদ্ধের খেসারত দিচ্ছে জনগণ, ট্রাম্পকে দুষলেন ডেমোক্র্যাটরা চাপ অব্যাহত থাকলে মোদি সরকারের পতন নিশ্চিত: রাহুল গান্ধী ১১ বছর ধরে বন্ধ এমআরআই, দিনাজপুর মেডিকেলে ব্যাহত চিকিৎসাসেবা ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নাভি পিলাই শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করলেন রিজভী মাদারগঞ্জে আরও দুটি কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাপেক্স শিক্ষকদের বেতন সংকটে বন্ধ লামার মিরিঞ্জা প্রাথমিক বিদ্যালয় সিরাজগঞ্জে তিন মাদক মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক

মার্কিন সেনা হত্যার পরিণাম ভয়াবহ হবে, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে ‘বহুগুণ মূল্য’ দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যতবারই ইরান আমেরিকান সেনাকে হত্যা করবে, ততবারই তাদের সেই হত্যার জন্য বহুগুণ মূল্য দিতে হবে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে তার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল কেইনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে পেন্টাগনকে ঠিক কী ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া মার্চ মাসে কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবাতে একটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলায় আরও ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন। চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৩০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলেও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। রয়টার্সের সূত্র মতে, জর্ডানে প্রাণঘাতী হামলার আগেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কার মোতায়েন শুরু করেছিল।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের সাবেক প্রধান জো কেন্ট। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার এই ঘটনা বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ব্যাপক হতাহতের শিকার হওয়ার আগেই সৈন্যদের সরিয়ে নিতে হবে এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির এই ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

এর আগে গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু, খার্গ দ্বীপের তেল স্থাপনা এবং ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছিলেন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী সচল রাখার কৌশলের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলাগুলো ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, ভবিষ্যতে বড় কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনার আগে এসব সক্ষমতা দুর্বল করা জরুরি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্কিন সেনা হত্যার পরিণাম ভয়াবহ হবে, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে ‘বহুগুণ মূল্য’ দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যতবারই ইরান আমেরিকান সেনাকে হত্যা করবে, ততবারই তাদের সেই হত্যার জন্য বহুগুণ মূল্য দিতে হবে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে তার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল কেইনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে পেন্টাগনকে ঠিক কী ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া মার্চ মাসে কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবাতে একটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলায় আরও ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন। চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৩০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলেও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। রয়টার্সের সূত্র মতে, জর্ডানে প্রাণঘাতী হামলার আগেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কার মোতায়েন শুরু করেছিল।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের সাবেক প্রধান জো কেন্ট। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার এই ঘটনা বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ব্যাপক হতাহতের শিকার হওয়ার আগেই সৈন্যদের সরিয়ে নিতে হবে এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির এই ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

এর আগে গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু, খার্গ দ্বীপের তেল স্থাপনা এবং ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছিলেন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী সচল রাখার কৌশলের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলাগুলো ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, ভবিষ্যতে বড় কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনার আগে এসব সক্ষমতা দুর্বল করা জরুরি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh