লালমোহনে মাদরাসা শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ হত্যা
- আপডেট সময় : ০৮:৪২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

ভোলার লালমোহনে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ (৩৮) নামের এক মাদরাসা শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে লালমোহন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন তিনতলা ভবনের একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আবদুল্লাহ আল মাহমুদ চরফ্যাশন দলিল লেখক সমিতির সভাপতি এবং পূর্ব ওমরাবাজ আলিম মাদরাসার সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি চরফ্যাশন পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জয়নাল আবেদিনের ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে তজুমদ্দিন সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী নাহিদা পারভীনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে মাহমুদ তাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে স্ত্রী নাহিদা তাকে নিয়ে লালমোহনে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, নাহিদা মাহমুদকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিতেন না। তাদের সংসারে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
নিহতের বাবা জয়নাল আবেদিন অভিযোগ করেন, সকালে নাহিদা মুঠোফোনে তার ছেলের মৃত্যুর খবর জানায়। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ছেলে ঝুলছে, তবে শুরুতে নাহিদাকে পাওয়া যায়নি এবং সে গা-ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। পরিবারের দাবি, মাহমুদ আত্মহত্যা করতে পারেন না; তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। নিহতের বড় ভাই ও দক্ষিণ আইচা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মুহিবুল্লাহ বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তারা আইনি পদক্ষেপ নেবেন। ঘটনার পর শুরুতে নাহিদাকে দেখা না গেলেও পরবর্তীতে সে স্বামীর বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেয়।
লালমোহন থানার ওসি নজরুল ইসলাম মজুমদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। উল্লেখ্য, মৃত্যুর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ তার ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে লিখেছিলেন, আত্মসম্মানে আঘাত করলে তিনি নিঃশব্দে শেষ হয়ে যাবেন।
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২০: ২৫আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২০: ২৮




























