ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আফগানদের বিপক্ষে দুর্দান্ত শুরু বাংলাদেশের, লাঞ্চের আগে সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৩৪ রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে দুই দফা হামলায় নিহত ৩ দুর্গাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে পরিচিত মুখ শামীম আহমেদ দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্তরাজ্যের উপনির্বাচনে হেরে গেলেন গ্রিন পার্টির নেতা জ্যাক পোলানস্কি ঢাকার পাশে রূপগঞ্জ: উন্নয়নের সম্ভাবনা ও নাগরিক চ্যালেঞ্জের সন্ধিক্ষণে সংবিধান সংশোধনে সরকারের পথে আপত্তি জামায়াতের, রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি প্যারিসে ব্যাংক অব আমেরিকায় হামলার নেপথ্যে ইরানপন্থি নেটওয়ার্ক ধ্রুব রাঠি: ইউটিউবের জনপ্রিয় মুখ থেকে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় তরুণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৬৬ রানে আটকে গেল বাংলাদেশ নারী দল

ময়মনসিংহে বাসচাপায় একই পরিবারের চার প্রজন্মসহ নিহত ৭

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ময়মনসিংহ নগরের রহমতপুর বাইপাস সড়কের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড় এলাকায় শুক্রবার বেলা সোয়া একটার দিকে রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর পুলিশ সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চার প্রজন্মের চারজন রয়েছেন। তাঁরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তাঁর ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৫০), মোফাজ্জলের মেয়ে মর্জিনা আক্তার (২৫) ও মর্জিনার ছেলে মিনান (৫)। এছাড়া নিহতদের মধ্যে অটোরিকশাচালক সুজন আলী (৪৪)—যিনি জামালপুর সদরের বীর গোবিন্দপুর গ্রামের আজর উদ্দিনের ছেলে—এবং জামালপুর সদর উপজেলার বাদেচান্দি গ্রামের আকরাম আলী (৫১) ও তাঁর স্ত্রী মমতা বেগম (৩৯) রয়েছেন।

পেশায় রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন প্রায় দুই দশক ধরে পরিবার নিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরে বসবাস করছিলেন। তিনি জামালপুরে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। মোফাজ্জলের ছোট ভাই মোবারক হোসেন জানান, মোফাজ্জল তার মাকে নিয়ে গাজীপুরে ফিরছিলেন। সকালে মা রাশিদা বেগমকে নিতে গিয়ে মেয়ে মর্জিনা ও নাতি মিনানকেও সঙ্গে নেওয়ার বায়না ধরেন। বেলা ১১টার দিকে তারা রওনা দেন, কিন্তু এই যাত্রা যে শেষ যাত্রা হবে তা কেউ বুঝতে পারেননি।

স্থানীয় বাসিন্দা নাজিম উদ্দিন উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে জানান, বিকট শব্দ শুনে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া অটোরিকশার ভেতর দুজনকে নড়াচড়া করতে দেখেন। কিন্তু তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতির আগেই তারা মারা যান।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিবিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনাস্থলে একটি বাঁক রয়েছে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, বেপরোয়া গতির দুটি যানবাহন বাঁকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ময়মনসিংহে বাসচাপায় একই পরিবারের চার প্রজন্মসহ নিহত ৭

আপডেট সময় : ১০:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহ নগরের রহমতপুর বাইপাস সড়কের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড় এলাকায় শুক্রবার বেলা সোয়া একটার দিকে রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর পুলিশ সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চার প্রজন্মের চারজন রয়েছেন। তাঁরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তাঁর ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৫০), মোফাজ্জলের মেয়ে মর্জিনা আক্তার (২৫) ও মর্জিনার ছেলে মিনান (৫)। এছাড়া নিহতদের মধ্যে অটোরিকশাচালক সুজন আলী (৪৪)—যিনি জামালপুর সদরের বীর গোবিন্দপুর গ্রামের আজর উদ্দিনের ছেলে—এবং জামালপুর সদর উপজেলার বাদেচান্দি গ্রামের আকরাম আলী (৫১) ও তাঁর স্ত্রী মমতা বেগম (৩৯) রয়েছেন।

পেশায় রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন প্রায় দুই দশক ধরে পরিবার নিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরে বসবাস করছিলেন। তিনি জামালপুরে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। মোফাজ্জলের ছোট ভাই মোবারক হোসেন জানান, মোফাজ্জল তার মাকে নিয়ে গাজীপুরে ফিরছিলেন। সকালে মা রাশিদা বেগমকে নিতে গিয়ে মেয়ে মর্জিনা ও নাতি মিনানকেও সঙ্গে নেওয়ার বায়না ধরেন। বেলা ১১টার দিকে তারা রওনা দেন, কিন্তু এই যাত্রা যে শেষ যাত্রা হবে তা কেউ বুঝতে পারেননি।

স্থানীয় বাসিন্দা নাজিম উদ্দিন উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে জানান, বিকট শব্দ শুনে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া অটোরিকশার ভেতর দুজনকে নড়াচড়া করতে দেখেন। কিন্তু তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতির আগেই তারা মারা যান।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিবিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনাস্থলে একটি বাঁক রয়েছে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, বেপরোয়া গতির দুটি যানবাহন বাঁকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo