ঈশ্বরদীতে ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, মেম্বারকে হত্যার হুমকি
- আপডেট সময় : ১০:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ৪৭
পাবনার ঈশ্বরদীতে সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মহির মন্ডলের (৫২) ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে এক যুবক। হামলার পর ওই যুবক আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। হামলার সময় সে চিৎকার করে বলে, ‘তোকে মেরে সতর্ক করলাম, কিন্তু স্বপন মেম্বারকে মেরেই ফেলব।’ বুধবার দুপুরে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের Maniknagar পাঠশালা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত মহির মন্ডল বর্তমানে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর বাম পায়ের উরুতে ধারালো অস্ত্রের গভীর জখম হয়েছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম রিপন (৩০)। সে পাঠশালা মোড় এলাকার সিদ্দিক মুন্সীর ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে মানিকনগর পাঠশালা মোড়ে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনে যান প্যানেল চেয়ারম্যান মহির মন্ডল। সেখানে তদারকি শেষে কর্মস্থলে ফেরার জন্য তিনি যখন মোটরসাইকেলে উঠছিলেন, ঠিক তখনই পেছন থেকে রিপন তাঁর ওপর হামলা চালায়।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের ডিলার মো. শিপন বিশ্বাস ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘সকাল থেকে আমরা ১৫ টাকা কেজি দরে সরকারি চাল বিতরণ করছিলাম। ঘটনার কিছুক্ষণ আগে চেয়ারম্যান আমাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে মোটরসাইকেলে চড়ে চলে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ চিৎকার শুনে এগিয়ে গিয়ে দেখি তাঁর শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছে। পরে জানতে পারি, রিপন নামের এক স্থানীয় যুবক তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে গেছে।’
আহত প্যানেল চেয়ারম্যান মহির মন্ডল বলেন, ‘কাজ শেষ করে মোটরসাইকেলে ওঠার সময় পেছন থেকে ধারালো কিছু দিয়ে আমাকে আঘাত করা হয়। এরপর হামলাকারী চিৎকার করে বলতে থাকে—তোকে মেরে সতর্ক করলাম, কিন্তু স্বপন মেম্বারকে তো মেরেই ফেলব। এরপর সে কোমর থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র বের করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।’ তিনি আরও জানান, কী কারণে তাঁর ওপর এই হামলা হয়েছে তা তিনি জানেন না এবং হামলাকারীকে তিনি চেনেনও না। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলা দায়ের করবেন বলে জানান তিনি।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে একটি টিম পাঠিয়েছে। হামলার সঠিক কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




























