রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামের সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের বৈঠক
- আপডেট সময় : ০৮:৩১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতি এবং বহুমুখী সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান এবং নিজের দায়িত্ব গ্রহণের পর অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠানোর জন্য পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারিকে ধন্যবাদ জানান। পাকিস্তান সফরের জন্য পাক-রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণের জবাবে তিনি বলেন, সুবিধাজনক সময়ে তিনি পাকিস্তান সফর করতে আগ্রহী।
দুই দেশের জনগণের অভিন্ন ইতিহাস, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক বন্ধনের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই যোগসূত্রগুলো পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির শক্তিশালী ভিত্তি। স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যকার যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার ঊর্ধ্বমুখী ধারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় ওষুধশিল্প, সিরামিকস ও কৃষিখাত বিশেষ গুরুত্ব পায়।
বৈঠকে হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জানান, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে চিকিৎসা পর্যটন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং স্থানীয় সক্ষমতা বাড়াতে পাকিস্তানের চিকিৎসকরা বাংলাদেশের চিকিৎসকদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। এছাড়া 'পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর'-এর আওতায় প্রায় ২০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হয়েছেন এবং বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্স আয়োজন করা হচ্ছে।
সরাসরি বিমান যোগাযোগের বিষয়ে হাইকমিশনার জানান, ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নতুন রুট চালুর জন্য ক্রমবর্ধমান চাহিদা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি মন্তব্য করেন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়াতে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাইকমিশনার হায়দার দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণে পাকিস্তানের নেতৃত্বের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। উভয় পক্ষই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে নিয়মিত যোগাযোগের ব্যাপারে একমত হন।

























