ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দরপত্রে ২০ বছরের ‘সুযোগবঞ্চিত’দের জন্য নতুন সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আয়োজিত নৈশভোজে সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাওয়ার হ্যামলেটসে স্কুল পোশাকের অনুদান বৃদ্ধি, সুবিধা পাবে আরও বেশি পরিবার লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে চার দিন ধরে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ সরবরাহ বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো তেলের দাম বিশ্বমঞ্চে দেশের মর্যাদা ও জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৫ জন গ্রেপ্তার চলন্ত মেট্রো রেলের দরজা খুলে যাওয়ায় ২৬ মিনিট বন্ধ চলাচল ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সারা দেশে পৌঁছাবে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই বকেয়া বিলের জেরে সিরাজগঞ্জে মিলের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, পরে চালু

আগামী শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিকের বইয়ে যুক্ত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিকস, মেশিন লার্নিং ও সাইবার নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর প্লেনারি সেশনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই পরিকল্পনার কথা জানান। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় শিক্ষাক্রমে এই যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

মাহদী আমিন জানান, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাক্রমে বেশ কিছু নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘সংস্কৃতি’ নামে দুটি নতুন বিষয় আসছে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা। এছাড়া কারিগরি শিক্ষাকে মূলধারায় নিয়ে এসে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সম্পন্ন করতে হবে।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পুঁথিগত বিদ্যা ও বাস্তব প্রয়োগের দূরত্ব কমানোর ওপর জোর দিয়ে মাহদী আমিন বলেন, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল শিক্ষায় শুধু সনদ বা তত্ত্বই যথেষ্ট নয়। সরকার শিক্ষাক্রম সংস্কারের মাধ্যমে অর্জিত সনদকে কর্মসংস্থান ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন আড়াই হাজার কলেজে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সরকারি ও বেসরকারি দেড় শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে বাস্তব জীবনের চাহিদার সঙ্গে সংযুক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। আলোচনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ম তামিম, ইউনেসকো ঢাকা অফিসের শিক্ষা প্রধান এস কিয়াং কো এবং টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তানভীর মোহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

আগামী শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিকের বইয়ে যুক্ত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

আপডেট সময় : ০৩:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিকস, মেশিন লার্নিং ও সাইবার নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর প্লেনারি সেশনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই পরিকল্পনার কথা জানান। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় শিক্ষাক্রমে এই যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

মাহদী আমিন জানান, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাক্রমে বেশ কিছু নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘সংস্কৃতি’ নামে দুটি নতুন বিষয় আসছে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা। এছাড়া কারিগরি শিক্ষাকে মূলধারায় নিয়ে এসে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সম্পন্ন করতে হবে।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পুঁথিগত বিদ্যা ও বাস্তব প্রয়োগের দূরত্ব কমানোর ওপর জোর দিয়ে মাহদী আমিন বলেন, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল শিক্ষায় শুধু সনদ বা তত্ত্বই যথেষ্ট নয়। সরকার শিক্ষাক্রম সংস্কারের মাধ্যমে অর্জিত সনদকে কর্মসংস্থান ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন আড়াই হাজার কলেজে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সরকারি ও বেসরকারি দেড় শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে বাস্তব জীবনের চাহিদার সঙ্গে সংযুক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। আলোচনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ম তামিম, ইউনেসকো ঢাকা অফিসের শিক্ষা প্রধান এস কিয়াং কো এবং টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তানভীর মোহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo