ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নির্ভুল হামলা: বিপর্যস্ত জ্বালানি ও বিশ্ব অর্থনীতি বাংলামটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ উপনিবেশোত্তর পাকিস্তান আমলে বাঙালি ও বাংলা ভাষার প্রতি বৈষম্য গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স: ক্ষুধা কমানোর গতি কমে বাংলাদেশ ৮৪তম বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার দাবি সাইফুল হকের পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরসূচিতে প্রস্তুতি ম্যাচের সময় কমল প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সালমানের প্র্যাঙ্কে শুটিং সেটে কেঁদে ফেলেছিলেন কারিশমা কাপুর সাজেকের পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার নির্দেশ, বাধা নেই ভ্রমণে

পিতা-মাতার অবহেলা রোধে সংসদে চার দফা প্রস্তাব রুমিন ফারহানার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পিতা-মাতার প্রতি অবহেলা ও নির্যাতনের ঘটনা রোধে জাতীয় সংসদে কড়া বার্তা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। রোববার সংসদে বক্তব্য রাখার সময় তিনি পবিত্র কোরআনের সুরা বনি ইসরাঈলের আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, ‘তোমরা আমার ইবাদত করো এবং তোমার পিতা-মাতার খেদমত করো। যদি তাদের একজন কিংবা উভয়ই তোমার বেঁচে থাকা অবস্থায় বার্ধক্যে উপনীত হন, তবে তাদেরকে ‘উফ’ শব্দটিও বলো না।’

রুমিন ফারহানা বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সন্তানরা বিত্তশালী হয়ে বাবা-মায়ের সম্পত্তির দখল নিয়ে তাদের বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাচ্ছে অথবা বহুতল ভবনের এক কোণায় মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য করছে। এই বেদনাদায়ক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তিনি বিদ্যমান আইন কঠোর করার দাবি জানান।

সংসদে তিনি পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন সংশোধনের লক্ষ্যে চার দফা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন। তার সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে, পিতা-মাতার ভরণপোষণে অবহেলা বা নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া গেলে দানপত্র বাতিলের একতরফা অধিকার প্রদান। তিনি দাবি করেন, ২০১৩ সালের আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এমন বিধান যুক্ত করা হোক যাতে সন্তান নির্যাতন করলে দাতা এককভাবে পারিবারিক আদালতে রেজিস্ট্রি দলিল বাতিলের আবেদন করতে পারেন।

এছাড়া, বাবা-মায়ের লিখিত সম্মতি ছাড়া তাদের সম্পত্তি বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া বা তা হস্তান্তর করা নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করেন তিনি। সবশেষে, জেলা জজের দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে ৬০ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে জরুরি চিকিৎসা বা আর্থিক সহায়তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংক্ষিপ্ত ও দ্রুত বিচার পদ্ধতি (সামারি ট্রায়াল) চালুর আহ্বান জানান। রুমিন ফারহানা আশা প্রকাশ করেন যে, আইনমন্ত্রী তার উত্থাপিত এই বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

পিতা-মাতার অবহেলা রোধে সংসদে চার দফা প্রস্তাব রুমিন ফারহানার

আপডেট সময় : ০৯:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পিতা-মাতার প্রতি অবহেলা ও নির্যাতনের ঘটনা রোধে জাতীয় সংসদে কড়া বার্তা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। রোববার সংসদে বক্তব্য রাখার সময় তিনি পবিত্র কোরআনের সুরা বনি ইসরাঈলের আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, ‘তোমরা আমার ইবাদত করো এবং তোমার পিতা-মাতার খেদমত করো। যদি তাদের একজন কিংবা উভয়ই তোমার বেঁচে থাকা অবস্থায় বার্ধক্যে উপনীত হন, তবে তাদেরকে ‘উফ’ শব্দটিও বলো না।’

রুমিন ফারহানা বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সন্তানরা বিত্তশালী হয়ে বাবা-মায়ের সম্পত্তির দখল নিয়ে তাদের বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাচ্ছে অথবা বহুতল ভবনের এক কোণায় মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য করছে। এই বেদনাদায়ক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তিনি বিদ্যমান আইন কঠোর করার দাবি জানান।

সংসদে তিনি পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন সংশোধনের লক্ষ্যে চার দফা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন। তার সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে, পিতা-মাতার ভরণপোষণে অবহেলা বা নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া গেলে দানপত্র বাতিলের একতরফা অধিকার প্রদান। তিনি দাবি করেন, ২০১৩ সালের আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এমন বিধান যুক্ত করা হোক যাতে সন্তান নির্যাতন করলে দাতা এককভাবে পারিবারিক আদালতে রেজিস্ট্রি দলিল বাতিলের আবেদন করতে পারেন।

এছাড়া, বাবা-মায়ের লিখিত সম্মতি ছাড়া তাদের সম্পত্তি বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া বা তা হস্তান্তর করা নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করেন তিনি। সবশেষে, জেলা জজের দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে ৬০ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে জরুরি চিকিৎসা বা আর্থিক সহায়তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংক্ষিপ্ত ও দ্রুত বিচার পদ্ধতি (সামারি ট্রায়াল) চালুর আহ্বান জানান। রুমিন ফারহানা আশা প্রকাশ করেন যে, আইনমন্ত্রী তার উত্থাপিত এই বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh