ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে এরদোয়ানের ভাষণের সময় মোবাইল ফোনে মগ্ন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট মাগুরায় বেশি দামে সার ও মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা গণমাধ্যমে সরকার ও বিরোধী দলের কথা সমান গুরুত্বের দাবি শফিকুর রহমানের কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন খাগড়াছড়িতে ৭৭৮ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি ও সেলাই মেশিন বিতরণ ট্রাইব্যুনাল অবমাননার মামলায় দুই আইনজীবীর শুনানি ২৬ অক্টোবর বিশ্ববাজারে টানা ছয় দিন কমছে জ্বালানি তেলের দাম গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অক্টোবরে একদিনের ছুটি নিলেই মিলবে টানা পাঁচ দিনের ছুটি হোমনায় মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে শিক্ষকের মৃত্যু

একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম, হিমশিম খাচ্ছেন রাজশাহীর চা দোকানি বাবা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে একসঙ্গে চারটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সিপাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা তিশা খাতুন। গত ১৭ আগস্ট দিবাগত রাত তিনটার দিকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম হয়। নির্ধারিত সময়ের আগে ৩৪ সপ্তাহে জন্ম নেওয়ায় নবজাতকদের ওজন কম ছিল, যার ফলে তাদের হাসপাতালের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের স্ক্যানু ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর ২৪ আগস্ট তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিকভাবে ৩৮ থেকে ৪০ সপ্তাহে শিশুর জন্ম হলেও এই চার শিশুর ক্ষেত্রে তা ছিল ৩৪ সপ্তাহ। জন্মের সময় তাদের মধ্যে দুজনের ওজন ছিল এক কেজি করে, একজনের ওজন ১ কেজি ১০০ গ্রাম এবং অন্যটির ওজন ১ কেজি ৩০০ গ্রাম। চিকিৎসকেরা সাধারণত দেড় থেকে দুই কেজি ওজনকে কিছুটা স্বাভাবিক বলে গণ্য করেন, যে কারণে ১৯ আগস্ট থেকে তাদের মুখে অল্প করে খাবার দেওয়া শুরু হয়েছিল।

সন্তানদের নিয়ে বিপাকে পড়া বাবা নাইমুল ইসলাম জানান, রাজশাহী কোর্ট স্টেশন এলাকায় একটি ছোট চায়ের দোকানই তার পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস। এই স্বল্প আয় দিয়ে চারটি বাচ্চার ভরণপোষণ চালানো তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। সহায়তার আশায় তিনি আট নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়ে যোগাযোগ করেছিলেন, কিন্তু সেখানে জানানো হয় মায়ের বয়স ২১ বছর না হলে সরকারি সহায়তা পাওয়া সম্ভব নয়। নাইমুল জানান, তার স্ত্রীর বর্তমান বয়স ২১ বছর ৭ মাস।

এর আগে সন্তান জন্মের প্রস্তুতির সময় তিনি পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়েও সহায়তার জন্য আবেদন করেছিলেন। সারা দিন লাইনে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও এখন পর্যন্ত তিনি কোনো সরকারি সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ করেন এই অসহায় বাবা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম, হিমশিম খাচ্ছেন রাজশাহীর চা দোকানি বাবা

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে একসঙ্গে চারটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সিপাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা তিশা খাতুন। গত ১৭ আগস্ট দিবাগত রাত তিনটার দিকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম হয়। নির্ধারিত সময়ের আগে ৩৪ সপ্তাহে জন্ম নেওয়ায় নবজাতকদের ওজন কম ছিল, যার ফলে তাদের হাসপাতালের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের স্ক্যানু ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর ২৪ আগস্ট তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিকভাবে ৩৮ থেকে ৪০ সপ্তাহে শিশুর জন্ম হলেও এই চার শিশুর ক্ষেত্রে তা ছিল ৩৪ সপ্তাহ। জন্মের সময় তাদের মধ্যে দুজনের ওজন ছিল এক কেজি করে, একজনের ওজন ১ কেজি ১০০ গ্রাম এবং অন্যটির ওজন ১ কেজি ৩০০ গ্রাম। চিকিৎসকেরা সাধারণত দেড় থেকে দুই কেজি ওজনকে কিছুটা স্বাভাবিক বলে গণ্য করেন, যে কারণে ১৯ আগস্ট থেকে তাদের মুখে অল্প করে খাবার দেওয়া শুরু হয়েছিল।

সন্তানদের নিয়ে বিপাকে পড়া বাবা নাইমুল ইসলাম জানান, রাজশাহী কোর্ট স্টেশন এলাকায় একটি ছোট চায়ের দোকানই তার পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস। এই স্বল্প আয় দিয়ে চারটি বাচ্চার ভরণপোষণ চালানো তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। সহায়তার আশায় তিনি আট নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়ে যোগাযোগ করেছিলেন, কিন্তু সেখানে জানানো হয় মায়ের বয়স ২১ বছর না হলে সরকারি সহায়তা পাওয়া সম্ভব নয়। নাইমুল জানান, তার স্ত্রীর বর্তমান বয়স ২১ বছর ৭ মাস।

এর আগে সন্তান জন্মের প্রস্তুতির সময় তিনি পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়েও সহায়তার জন্য আবেদন করেছিলেন। সারা দিন লাইনে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও এখন পর্যন্ত তিনি কোনো সরকারি সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ করেন এই অসহায় বাবা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo