ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ময়মনসিংহে এনসিডি কর্নারে ওষুধ সংকট, বাড়ছে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কাশ্মীরে সিআইএসএফ’র গুলিতে অফিসারসহ নিহত ৪ দুই দশক পর ইরাক থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী পুরোপুরি প্রত্যাহার চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত, গ্রেপ্তার ১ যৌতুক প্রথা নিয়ে কোনাল-রাফসান ও বুলবুলের নতুন গান উচ্চকক্ষ ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নিয়ে বিশেষ কমিটিতে ভিন্নমত ইউপিএলের শোরুমে হামলা ও কর্মীদের হয়রানির ঘটনায় ৩৬ বিশিষ্ট নাগরিকের নিন্দা মাঠে অদ্ভূতকাণ্ড: প্রতিপক্ষের চুল ধরে টানায় ২ লাল কার্ড এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা কমায়: রাষ্ট্রপতি

গুমের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আইন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



গুমের শিকার ব্যক্তিরা যাতে সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ন্যায়বিচার পেতে পারেন, সেজন্য একটি শক্তিশালী আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত এক প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদের কবল থেকে দেশের মানুষ বাংলাদেশকে মুক্ত করেছে। গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বিচার নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনতেই এই আইন করা হচ্ছে, যা ইতিমধ্যে সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী গুম কমিশনে এই বিষয়গুলো ছিল না, তবে নতুন আইনে ভুক্তভোগীদের সরাসরি আদালতে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত ‘গুম প্রতিকার আইন ২০২৬’ এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কোন ধরনের গুমের জন্য কী শাস্তি হবে, কীভাবে এবং কারা তদন্ত করবেন—তা এই আইনে সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া গুম হওয়া কোনো ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া না গেলে তার উত্তরাধিকারীরা যাতে সম্পত্তির অধিকার পান, সেই ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে দায়ীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা সম্ভব না হলে রাষ্ট্র যাতে সেই ক্ষতিপূরণ দিতে পারে, আইনে সেই বিধানও রাখা হয়েছে। আইনে কোনো ত্রুটি থাকলে তা পরবর্তীতে সংশোধন করা যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নিজের গুম হওয়ার স্মৃতি স্মরণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমি নিজেও গুমের শিকার। আমি কি চাইব না যে গুম নিয়ে একটি শক্তিশালী আইন হোক? এখানে কি আর কোনো স্বার্থ থাকতে পারে?” তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতে ক্ষমতায় না থাকলেও এই আইনটি থেকে যাবে, যাতে ভবিষ্যতে যে কেউই গুমের শিকার হোন না কেন, তিনি যেন বিচার পান।

বিগত বছরগুলোতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের নিয়ে অবজ্ঞা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, তাদের নিয়ে অপসংস্কৃতি চর্চা করা অত্যন্ত দুঃখজনক। গুম থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি ও হুম্মাম কাদের বেঁচে আছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কেউই জানতেন না যে শেষ পর্যন্ত বেঁচে ফিরতে পারবেন কি না। গুম থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের বেঁচে থাকা নিয়ে হাস্যরস করা হলে তা ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে হতাশ করতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

গুমের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আইন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

গুমের শিকার ব্যক্তিরা যাতে সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ন্যায়বিচার পেতে পারেন, সেজন্য একটি শক্তিশালী আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত এক প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদের কবল থেকে দেশের মানুষ বাংলাদেশকে মুক্ত করেছে। গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বিচার নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনতেই এই আইন করা হচ্ছে, যা ইতিমধ্যে সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী গুম কমিশনে এই বিষয়গুলো ছিল না, তবে নতুন আইনে ভুক্তভোগীদের সরাসরি আদালতে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত ‘গুম প্রতিকার আইন ২০২৬’ এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কোন ধরনের গুমের জন্য কী শাস্তি হবে, কীভাবে এবং কারা তদন্ত করবেন—তা এই আইনে সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া গুম হওয়া কোনো ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া না গেলে তার উত্তরাধিকারীরা যাতে সম্পত্তির অধিকার পান, সেই ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে দায়ীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা সম্ভব না হলে রাষ্ট্র যাতে সেই ক্ষতিপূরণ দিতে পারে, আইনে সেই বিধানও রাখা হয়েছে। আইনে কোনো ত্রুটি থাকলে তা পরবর্তীতে সংশোধন করা যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নিজের গুম হওয়ার স্মৃতি স্মরণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমি নিজেও গুমের শিকার। আমি কি চাইব না যে গুম নিয়ে একটি শক্তিশালী আইন হোক? এখানে কি আর কোনো স্বার্থ থাকতে পারে?” তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতে ক্ষমতায় না থাকলেও এই আইনটি থেকে যাবে, যাতে ভবিষ্যতে যে কেউই গুমের শিকার হোন না কেন, তিনি যেন বিচার পান।

বিগত বছরগুলোতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের নিয়ে অবজ্ঞা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, তাদের নিয়ে অপসংস্কৃতি চর্চা করা অত্যন্ত দুঃখজনক। গুম থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি ও হুম্মাম কাদের বেঁচে আছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কেউই জানতেন না যে শেষ পর্যন্ত বেঁচে ফিরতে পারবেন কি না। গুম থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের বেঁচে থাকা নিয়ে হাস্যরস করা হলে তা ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে হতাশ করতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin