ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা ২০২৭ প্রকাশ বিএনপির সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদ আর নেই ভাঙ্গুড়ায় গুমানী নদীতে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা বেনাপোলে চার পূজামণ্ডপে বিএনপির নেতার আর্থিক অনুদান প্রদান তিন দিনে শাবিপ্রবির তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু, শোকের ছায়া ক্যাম্পাসে জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় জিতেশ চন্দ্র গোপের মৃত্যুদণ্ড আর না ফেরার শর্তে চুয়েট ছাড়লেন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম পুনর্গঠন হচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ৩০০ বাড়ি ভস্মীভূত, ঘরছাড়া হাজারো মানুষ পল্লবীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, মাসে পাবেন আড়াই হাজার টাকা

পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের দাবিতে সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের পরিবর্তে আংশিক সংস্কারের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল সংসদে উত্থাপনের ঠিক আগ মুহূর্তে তারা বেরিয়ে যান।

সংসদে বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর আইন প্রণয়ন কার্যক্রম শুরুর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখার সুযোগ পান বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না হওয়ায় কঠোর সমালোচনা করেন। এরপরই বিরোধী দলীয় সদস্যরা নির্ধারিত বিল দুটির কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাত ৮টা ৬ মিনিটে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন। সংসদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিরোধী দলীয় নেতারা গণমাধ্যমের সামনে তাদের অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, যা গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, ১০ এপ্রিলের মধ্যে এগুলোর অনুমোদন বা অননুমোদনের বাধ্যবাধকতা ছিল। এর মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ বিল আকারে উত্থাপিত না হওয়ায় কার্যকারিতা হারায় এবং সাতটি রহিতকরণ বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারসহ যেসব অধ্যাদেশ বিলে রূপান্তরিত হয়নি, সেগুলো নতুন করে বিল আকারে আনার কথা জানিয়েছিল সরকার।

অন্যদিকে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গত ৩ আগস্ট গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া এবং ১০ আগস্ট মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। তবে এই খসড়াগুলোর কয়েকটি বিধান নিয়ে মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল উদ্বেগ ও আপত্তি প্রকাশ করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের দাবিতে সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

আপডেট সময় : ১০:১৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের পরিবর্তে আংশিক সংস্কারের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল সংসদে উত্থাপনের ঠিক আগ মুহূর্তে তারা বেরিয়ে যান।

সংসদে বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর আইন প্রণয়ন কার্যক্রম শুরুর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখার সুযোগ পান বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না হওয়ায় কঠোর সমালোচনা করেন। এরপরই বিরোধী দলীয় সদস্যরা নির্ধারিত বিল দুটির কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাত ৮টা ৬ মিনিটে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন। সংসদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিরোধী দলীয় নেতারা গণমাধ্যমের সামনে তাদের অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, যা গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, ১০ এপ্রিলের মধ্যে এগুলোর অনুমোদন বা অননুমোদনের বাধ্যবাধকতা ছিল। এর মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ বিল আকারে উত্থাপিত না হওয়ায় কার্যকারিতা হারায় এবং সাতটি রহিতকরণ বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারসহ যেসব অধ্যাদেশ বিলে রূপান্তরিত হয়নি, সেগুলো নতুন করে বিল আকারে আনার কথা জানিয়েছিল সরকার।

অন্যদিকে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গত ৩ আগস্ট গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া এবং ১০ আগস্ট মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। তবে এই খসড়াগুলোর কয়েকটি বিধান নিয়ে মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল উদ্বেগ ও আপত্তি প্রকাশ করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin