ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে হত্যার পর ভারতে পালানোর সময় পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার মজনু

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



স্ত্রী বীথি আক্তারের সঙ্গে পরকীয়ার সন্দেহে দাম্পত্য কলহের জেরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মজনু রাজা। গত ১২ আগস্ট রাতে আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ণ মাঠ এলাকার নিজ বাসায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পিবিআই জানিয়েছে, ঘটনার রাতে গ্যারেজের কাজ শেষে বাসায় ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান মজনু। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি বীথিকে খাটে ফেলে গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে প্রায় দুই মাস আত্মগোপনে থাকেন তিনি।

ঘটনার পরদিন ১৩ আগস্ট ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে বীথির মা মেরিনা বেগম মেয়ের নিথর দেহ খাটের ওপর গামছা পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। এ ঘটনায় বীথির বাবা বাদশা মিয়া বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ১৬ আগস্ট ঢাকা জেলা পিবিআই মামলার তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পিবিআই রংপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধারাবাহিক অভিযান চালায়। একপর্যায়ে সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে ৬ অক্টোবর রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার খাসপাড়া বাজার এলাকা থেকে মজনু রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মজনু হত্যাকাণ্ডে নিজের দোষ স্বীকার করে গতকাল সোমবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পিবিআই সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে ২২ বছর বয়সী বীথি ও ৩৯ বছর বয়সী মজনুর বিয়ে হয়েছিল। বীথি আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন এবং মজনু কাশিমপুরের শৈলডুবি এলাকায় অটোগ্যারেজে মিস্ত্রি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

স্ত্রীকে হত্যার পর ভারতে পালানোর সময় পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার মজনু

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

স্ত্রী বীথি আক্তারের সঙ্গে পরকীয়ার সন্দেহে দাম্পত্য কলহের জেরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মজনু রাজা। গত ১২ আগস্ট রাতে আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ণ মাঠ এলাকার নিজ বাসায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পিবিআই জানিয়েছে, ঘটনার রাতে গ্যারেজের কাজ শেষে বাসায় ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান মজনু। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি বীথিকে খাটে ফেলে গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে প্রায় দুই মাস আত্মগোপনে থাকেন তিনি।

ঘটনার পরদিন ১৩ আগস্ট ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে বীথির মা মেরিনা বেগম মেয়ের নিথর দেহ খাটের ওপর গামছা পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। এ ঘটনায় বীথির বাবা বাদশা মিয়া বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ১৬ আগস্ট ঢাকা জেলা পিবিআই মামলার তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পিবিআই রংপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধারাবাহিক অভিযান চালায়। একপর্যায়ে সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে ৬ অক্টোবর রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার খাসপাড়া বাজার এলাকা থেকে মজনু রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মজনু হত্যাকাণ্ডে নিজের দোষ স্বীকার করে গতকাল সোমবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পিবিআই সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে ২২ বছর বয়সী বীথি ও ৩৯ বছর বয়সী মজনুর বিয়ে হয়েছিল। বীথি আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন এবং মজনু কাশিমপুরের শৈলডুবি এলাকায় অটোগ্যারেজে মিস্ত্রি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo