ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স: ক্ষুধা কমানোর গতি কমে বাংলাদেশ ৮৪তম বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার দাবি সাইফুল হকের পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরসূচিতে প্রস্তুতি ম্যাচের সময় কমল প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সালমানের প্র্যাঙ্কে শুটিং সেটে কেঁদে ফেলেছিলেন কারিশমা কাপুর সাজেকের পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার নির্দেশ, বাধা নেই ভ্রমণে সারাদেশে পূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য ইয়েমেনের আল-মাশিক প্রাসাদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: নিহত ২

ধানমন্ডিতে মারধরের ঘটনায় খালিদ হাসানের ১৫ দিনের কারাদণ্ড

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় ফুটপাতে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা নামের এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় খালিদ হাসান নামের এক যুবককে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে ধানমন্ডির মীনাবাজার এলাকা থেকে খালিদকে আটক করে পুলিশ। এরপর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে এই সাজা দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠান।

রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহমেদ জানান, খালিদ হাসান গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোডে বেসরকারি বাংলাদেশ আই হসপিটালের উল্টো দিকে ওই ব্যক্তিকে মারধরের কথা স্বীকার করেছেন। খালিদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত।

ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার দুপুরে, যখন এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করেন খালিদ। ওই তরুণী জানিয়েছেন, শহীদ আবদুল্লাহ তাঁকে ‘ব্যাড টাচ’ করেছিলেন। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা পুলিশের সদস্যরা তাঁকে আটক করতে অনীহা দেখালে তরুণী তাঁর মামা খালিদকে ডেকে আনেন। পরবর্তী সময়ে শহীদ আবদুল্লাহকে ধানমন্ডি থানা-পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং আদালত তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান।

মারধরের ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে দুই পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও তাঁরা নীরব ভূমিকা পালন করছিলেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাইকে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওসি মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, বাকি দুই পুলিশ সদস্য পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (দাঙ্গা দমন বিভাগ) হওয়ায় তাঁদের বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই।

এদিকে, নিজের মামার কারাদণ্ডের খবরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই তরুণী প্রশ্ন তোলেন, তাঁর শ্লীলতাহানির সময় পুলিশ কেন চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, তাঁকে রক্ষা করতেই তাঁর মামা ক্ষিপ্ত হয়ে এমন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ওসি ইমদাদুল ইসলাম জানান, শহীদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা এবং পরিবারের তথ্য অনুযায়ী তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ।

ইমরান আহমেদ আজ প্রথম আলোকে বলেন, গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোডের বেসরকারি বাংলাদেশ আই হসপিটালের উল্টো দিকে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর কথা স্বীকার করেছেন খালিদ হাসান।

এরপর তাঁকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।.গত সোমবার দুপুরে এক তরুণীকে (২৩) শ্লীলতাহানির অভিযোগে শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করেন খালিদ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ধানমন্ডিতে মারধরের ঘটনায় খালিদ হাসানের ১৫ দিনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১২:৫০:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় ফুটপাতে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা নামের এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় খালিদ হাসান নামের এক যুবককে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে ধানমন্ডির মীনাবাজার এলাকা থেকে খালিদকে আটক করে পুলিশ। এরপর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে এই সাজা দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠান।

রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহমেদ জানান, খালিদ হাসান গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোডে বেসরকারি বাংলাদেশ আই হসপিটালের উল্টো দিকে ওই ব্যক্তিকে মারধরের কথা স্বীকার করেছেন। খালিদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত।

ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার দুপুরে, যখন এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করেন খালিদ। ওই তরুণী জানিয়েছেন, শহীদ আবদুল্লাহ তাঁকে ‘ব্যাড টাচ’ করেছিলেন। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা পুলিশের সদস্যরা তাঁকে আটক করতে অনীহা দেখালে তরুণী তাঁর মামা খালিদকে ডেকে আনেন। পরবর্তী সময়ে শহীদ আবদুল্লাহকে ধানমন্ডি থানা-পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং আদালত তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান।

মারধরের ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে দুই পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও তাঁরা নীরব ভূমিকা পালন করছিলেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাইকে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওসি মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, বাকি দুই পুলিশ সদস্য পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (দাঙ্গা দমন বিভাগ) হওয়ায় তাঁদের বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই।

এদিকে, নিজের মামার কারাদণ্ডের খবরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই তরুণী প্রশ্ন তোলেন, তাঁর শ্লীলতাহানির সময় পুলিশ কেন চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, তাঁকে রক্ষা করতেই তাঁর মামা ক্ষিপ্ত হয়ে এমন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ওসি ইমদাদুল ইসলাম জানান, শহীদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা এবং পরিবারের তথ্য অনুযায়ী তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ।

ইমরান আহমেদ আজ প্রথম আলোকে বলেন, গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোডের বেসরকারি বাংলাদেশ আই হসপিটালের উল্টো দিকে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর কথা স্বীকার করেছেন খালিদ হাসান।

এরপর তাঁকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।.গত সোমবার দুপুরে এক তরুণীকে (২৩) শ্লীলতাহানির অভিযোগে শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করেন খালিদ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo