ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা ২০২৭ প্রকাশ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই নীতিমালাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়, যাতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস। নতুন এই নীতিমালায় দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হবে ডিজিটাল লটারি পদ্ধতির মাধ্যমে। আবেদনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম দিতে পারবে। তবে ডাবল শিফট স্কুলে উভয় শিফট পছন্দ করলে তা দুটি বিদ্যালয় হিসেবে গণ্য হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিকবার আবেদন করলে শিক্ষার্থীর সব আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে এই ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।

দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নীতিমালা অনুসারে, দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৫০ নম্বরের এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ ঘণ্টা, যেখানে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। অন্যদিকে, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা, যেখানে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এই স্তরগুলোতেও লিখিত পরীক্ষার মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী বাছাইয়ের পর শূন্য আসনের সমসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকা সংরক্ষণ করতে হবে এবং ভর্তি কমিটির নির্ধারিত তারিখে শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ভর্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা ২০২৭ প্রকাশ

আপডেট সময় : ১০:২৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই নীতিমালাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়, যাতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস। নতুন এই নীতিমালায় দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হবে ডিজিটাল লটারি পদ্ধতির মাধ্যমে। আবেদনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম দিতে পারবে। তবে ডাবল শিফট স্কুলে উভয় শিফট পছন্দ করলে তা দুটি বিদ্যালয় হিসেবে গণ্য হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিকবার আবেদন করলে শিক্ষার্থীর সব আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে এই ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।

দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নীতিমালা অনুসারে, দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৫০ নম্বরের এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ ঘণ্টা, যেখানে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। অন্যদিকে, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা, যেখানে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এই স্তরগুলোতেও লিখিত পরীক্ষার মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী বাছাইয়ের পর শূন্য আসনের সমসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকা সংরক্ষণ করতে হবে এবং ভর্তি কমিটির নির্ধারিত তারিখে শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ভর্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin