ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নির্ভুল হামলা: বিপর্যস্ত জ্বালানি ও বিশ্ব অর্থনীতি বাংলামটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ উপনিবেশোত্তর পাকিস্তান আমলে বাঙালি ও বাংলা ভাষার প্রতি বৈষম্য গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স: ক্ষুধা কমানোর গতি কমে বাংলাদেশ ৮৪তম বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার দাবি সাইফুল হকের পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরসূচিতে প্রস্তুতি ম্যাচের সময় কমল প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সালমানের প্র্যাঙ্কে শুটিং সেটে কেঁদে ফেলেছিলেন কারিশমা কাপুর সাজেকের পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার নির্দেশ, বাধা নেই ভ্রমণে

তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন, রোববার থেকে বৃষ্টির পূর্বাভাস

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভাদ্রের মাঝামাঝি সময়ে এসে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর ফলে গত বুধবার থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে, যা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। যদিও আবহাওয়া দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে তাপপ্রবাহের ঘোষণা দেয়নি, তবে দেশের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে।

বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন এই তাপমাত্রা ছিল রাজশাহী, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই ধারায় রাজধানীর তাপমাত্রাও বাড়ছে; বৃহস্পতিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বুধবার ছিল ৩৪ দশমিক ১ ডিগ্রি।

আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি খুবই সাময়িক এবং শুক্রবার থেকেই তাপমাত্রা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আগামী শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম থাকায় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকবে, ফলে ভ্যাপসা গরমের তীব্রতা বজায় থাকতে পারে। তিনি আরও জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বরের দিকে সাগরে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী রোববার থেকে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অধিকাংশ এলাকাজুড়ে বৃষ্টিপাত হয়নি। এমনকি সাধারণত বৃষ্টিপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত সিলেটেও বৃষ্টির দেখা নেই। ঢাকায় সকাল ছয়টার পর বৃহস্পতিবার আর কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি। তবে এর আগের ২৪ ঘণ্টায় টেকনাফে সর্বোচ্চ ৩৯ মিলিমিটার এবং রাজধানীতে ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল।

বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তাপমাত্রা যা রেকর্ড করা হচ্ছে, তার চেয়ে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। এর সঙ্গে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে জনদুর্ভোগ আরও বেড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আগেই সতর্ক করেছিল যে, এই বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিকের চেয়ে তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

আবহাওয়া দপ্তরের ভাষায়, দেশের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম হলে সেটিকে ‘মৃদু তাপপ্রবাহ’ ধরা হয়। ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির তাপমাত্রাকে বলা হয় ‘মাঝারি’ এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রির তাপমাত্রাকে ‘তীব্র তাপপ্রবাহ’ বলা হয়। তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে উঠলে সেটিকে ধরা হয় ‘অতি তীব্র তাপপ্রবাহ’। এদিক থেকে গত দুই

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন, রোববার থেকে বৃষ্টির পূর্বাভাস

আপডেট সময় : ০৯:২৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

ভাদ্রের মাঝামাঝি সময়ে এসে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর ফলে গত বুধবার থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে, যা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। যদিও আবহাওয়া দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে তাপপ্রবাহের ঘোষণা দেয়নি, তবে দেশের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে।

বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন এই তাপমাত্রা ছিল রাজশাহী, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই ধারায় রাজধানীর তাপমাত্রাও বাড়ছে; বৃহস্পতিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বুধবার ছিল ৩৪ দশমিক ১ ডিগ্রি।

আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি খুবই সাময়িক এবং শুক্রবার থেকেই তাপমাত্রা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আগামী শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম থাকায় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকবে, ফলে ভ্যাপসা গরমের তীব্রতা বজায় থাকতে পারে। তিনি আরও জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বরের দিকে সাগরে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী রোববার থেকে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অধিকাংশ এলাকাজুড়ে বৃষ্টিপাত হয়নি। এমনকি সাধারণত বৃষ্টিপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত সিলেটেও বৃষ্টির দেখা নেই। ঢাকায় সকাল ছয়টার পর বৃহস্পতিবার আর কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি। তবে এর আগের ২৪ ঘণ্টায় টেকনাফে সর্বোচ্চ ৩৯ মিলিমিটার এবং রাজধানীতে ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল।

বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তাপমাত্রা যা রেকর্ড করা হচ্ছে, তার চেয়ে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। এর সঙ্গে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে জনদুর্ভোগ আরও বেড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আগেই সতর্ক করেছিল যে, এই বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিকের চেয়ে তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

আবহাওয়া দপ্তরের ভাষায়, দেশের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম হলে সেটিকে ‘মৃদু তাপপ্রবাহ’ ধরা হয়। ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির তাপমাত্রাকে বলা হয় ‘মাঝারি’ এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রির তাপমাত্রাকে ‘তীব্র তাপপ্রবাহ’ বলা হয়। তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে উঠলে সেটিকে ধরা হয় ‘অতি তীব্র তাপপ্রবাহ’। এদিক থেকে গত দুই

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh