ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওমর সানী: পরিবার ও শিল্পীদের নিয়ে মিথ্যা তথ্যের প্রতিবাদ, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পদত্যাগ করিনি, সুস্থ হয়ে চুয়েটে ফিরব: উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল হাসপাতাল থেকে কারাগারে ফিরলেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু রাজধানীতে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ কালীগঞ্জে দুই রেলক্রসিংয়ে নিরাপত্তাহীনতায় হাজারো মানুষ আটঘরিয়ায় ১৭ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা হবে না: আমানউল্লাহ আমান সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি ও পাচারের প্রতিবাদে উত্তাল দেশ বেতাগীতে জেন্ডার সমতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা বিমান বাংলাদেশ: ঢাকা-টরন্টোর অভিজ্ঞতা থেকে ঢাকা-নিউইয়র্কের সম্ভাবনা

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তার আগ্রহ চীনের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় চীন কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সাথে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশের এখনই সৌর বা নবায়নযোগ্য শক্তি বিকাশ করার উপযুক্ত সময়। চীন এই সেক্টরে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। তিনি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প নিয়ে আলোচনার কথা উল্লেখ করে বলেন, এটি বাংলাদেশে প্রথম এবং একমাত্র প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় সবকিছু প্রস্তুত রয়েছে এবং খুব শিগগিরই এটি উদ্বোধন করা হবে। এটি ঢাকা শহরের উন্নয়নে একটি মডেল প্রকল্প হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চীন বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন, ভাষা শিক্ষা এবং দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরিতে সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলে রাষ্ট্রদূত জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সামগ্রিক সহযোগিতার ঐতিহাসিক ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক ঐতিহাসিক এবং চীন বাংলাদেশের পুরোনো বন্ধু।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর চট্টগ্রামে চীনের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ শুরু হয়েছে এবং মোংলা বন্দর প্রকল্প নিয়েও কাজ চলছে। এছাড়া তিস্তা নদী প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান নিয়েও কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিনামূল্যে বাংলাদেশি জনশক্তিকে দক্ষ করতে এবং তৃতীয় ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিন শেখাতে চীন বিশেষজ্ঞ পাঠিয়ে সহায়তা করবে।

ঢাকার বস্তি আধুনিকীকরণ প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে বর্তমানে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত একটি বিষয় এবং এটি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবিকার সাথে সম্পর্কিত। প্রধানমন্ত্রী বস্তির মানুষদের আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন শহরের পরিবেশে বসবাস ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করতে চান। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের প্রস্তাব চীনের সাথে শেয়ার করেছে এবং সহযোগিতা চেয়েছে। এটি চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাবে বলে তিনি জানান। তিনি মন্ত্রীকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ শক্তি উন্নয়ন এবং বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তার আগ্রহ চীনের

আপডেট সময় : ০৭:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় চীন কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সাথে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশের এখনই সৌর বা নবায়নযোগ্য শক্তি বিকাশ করার উপযুক্ত সময়। চীন এই সেক্টরে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। তিনি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প নিয়ে আলোচনার কথা উল্লেখ করে বলেন, এটি বাংলাদেশে প্রথম এবং একমাত্র প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় সবকিছু প্রস্তুত রয়েছে এবং খুব শিগগিরই এটি উদ্বোধন করা হবে। এটি ঢাকা শহরের উন্নয়নে একটি মডেল প্রকল্প হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চীন বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন, ভাষা শিক্ষা এবং দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরিতে সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলে রাষ্ট্রদূত জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সামগ্রিক সহযোগিতার ঐতিহাসিক ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক ঐতিহাসিক এবং চীন বাংলাদেশের পুরোনো বন্ধু।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর চট্টগ্রামে চীনের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ শুরু হয়েছে এবং মোংলা বন্দর প্রকল্প নিয়েও কাজ চলছে। এছাড়া তিস্তা নদী প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান নিয়েও কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিনামূল্যে বাংলাদেশি জনশক্তিকে দক্ষ করতে এবং তৃতীয় ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিন শেখাতে চীন বিশেষজ্ঞ পাঠিয়ে সহায়তা করবে।

ঢাকার বস্তি আধুনিকীকরণ প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে বর্তমানে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত একটি বিষয় এবং এটি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবিকার সাথে সম্পর্কিত। প্রধানমন্ত্রী বস্তির মানুষদের আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন শহরের পরিবেশে বসবাস ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করতে চান। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের প্রস্তাব চীনের সাথে শেয়ার করেছে এবং সহযোগিতা চেয়েছে। এটি চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাবে বলে তিনি জানান। তিনি মন্ত্রীকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ শক্তি উন্নয়ন এবং বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin