ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্যোক্তাদের দ্রুত ভ্যাট নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান এনবিআরের ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে উয়েফা নেপালের বন্যায় নিশ্চিহ্ন গ্রাম, স্বজন হারালেন সাংবাদিক জিপিএ-৫ চূড়ান্ত অর্জন নয়, সামনে কঠিন পথ: ডাকসু জিএস ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন যুক্তরাজ্যের ৩ বিমানবন্দরে সাইবার হামলা, হ্যাকারদের হাতে ৮৭ লাখ গ্রাহকের তথ্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানালেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ত্রয়োদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপন বাজেট সংকটে ইসরাইলি সেনাবাহিনী, ব্যাহত হচ্ছে সামরিক প্রস্তুতি যৌন নির্যাতন ও মারধরের অভিযোগে তেলেগু পরিচালক পবন সাদিনেনি গ্রেপ্তার

সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের তৃতীয় দিনে সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক হট্টগোল ও বাকবিতণ্ডার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য ঘিরে সংসদ কক্ষে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে স্পিকার সংসদ সদস্যদের সতর্ক করে বলেন, "আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ না।" তিনি মনে করিয়ে দেন যে, বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করতে হলে রুলস অব প্রসিডিউর কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

নিজের ৪০ বছরের সংসদীয় অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে স্পিকার অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি সংসদ সদস্যদের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে সচেতন হওয়ার তাগিদ দিয়ে বলেন, স্পিকার যখন কথা বলেন তখন সবাইকে বসে তা শুনতে হয়। এই নিয়ম বা নীতি ভঙ্গ করলে সংসদ বেশিদিন চলবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

অধিবেশন চলাকালে হট্টগোলের সূত্রপাত হয় কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর একটি প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের মাধ্যমে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রশ্নটি বুঝতে না পেরে বলেন, "স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো বুঝতে পারিনি।" এর পরপরই সংসদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিরোধী দলের সদস্যরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান এবং তা এক্সপাঞ্জ করার দাবি তোলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তখন পালটা প্রশ্ন করেন, "যদি কথাই না বলতে দেন, তাহলে কীসের বাকস্বাধীনতা?" শেষ পর্যন্ত স্পিকার সদস্যদের নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে পরিবেশ শান্ত করার চেষ্টা করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের তৃতীয় দিনে সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক হট্টগোল ও বাকবিতণ্ডার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য ঘিরে সংসদ কক্ষে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে স্পিকার সংসদ সদস্যদের সতর্ক করে বলেন, "আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ না।" তিনি মনে করিয়ে দেন যে, বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করতে হলে রুলস অব প্রসিডিউর কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

নিজের ৪০ বছরের সংসদীয় অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে স্পিকার অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি সংসদ সদস্যদের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে সচেতন হওয়ার তাগিদ দিয়ে বলেন, স্পিকার যখন কথা বলেন তখন সবাইকে বসে তা শুনতে হয়। এই নিয়ম বা নীতি ভঙ্গ করলে সংসদ বেশিদিন চলবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

অধিবেশন চলাকালে হট্টগোলের সূত্রপাত হয় কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর একটি প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের মাধ্যমে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রশ্নটি বুঝতে না পেরে বলেন, "স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো বুঝতে পারিনি।" এর পরপরই সংসদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিরোধী দলের সদস্যরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান এবং তা এক্সপাঞ্জ করার দাবি তোলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তখন পালটা প্রশ্ন করেন, "যদি কথাই না বলতে দেন, তাহলে কীসের বাকস্বাধীনতা?" শেষ পর্যন্ত স্পিকার সদস্যদের নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে পরিবেশ শান্ত করার চেষ্টা করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin