জ্বালানি খাতে অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তীব্র সমালোচনা
- আপডেট সময় : ০৬:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের তীব্র সমালোচনা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত অধিবেশনে তিনি সরকারের বিভিন্ন খাতের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেন।
জ্বালানি খাতের পরিস্থিতি নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, গ্যাস আর বিদ্যুতের ব্যাপারে দুষ্টু লোকেরা বলে, ‘টুকু আসে, টুকু যায়’। এই আসে, এই যায় কতক্ষণ থাকে, তা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে না। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একদিকে বিদ্যুতের হাহাকার ও গ্যাসের দুষ্প্রাপ্যতা, অন্যদিকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতো ৬৪ জেলায় ৬৪ জন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে হয়তো মন্দ হতো না। তিনি অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুললে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যঙ্গ বা বাক্চাতুর্য দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি খাতের নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে বাজারে সবজির দাম ৮০ টাকার নিচে নয়। ডিম ও মিনিকেট চালের দাম বৃদ্ধি এবং টিসিবির লাইনে মানুষের দীর্ঘ সারি সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ। তিনি আরও জানান, সরকার ক্ষমতায় আসার পর ৯০০-এর বেশি কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং ৬২ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। অথচ সরকার এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
এর আগে, প্রশ্নোত্তর পর্বে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের শব্দচয়ন নিয়ে জাতীয় সংসদে হট্টগোল হয়। এ সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

























