ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতার আহ্বান খুলনায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান কাজের মাধ্যমে ‘ছায়া সিটি করপোরেশন’ গড়ার ঘোষণা সেলিম উদ্দিনের নাটোর ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ আ.লীগকে ফেরাতে জামায়াত রাজনীতি ঘোলাটে করছে: ডিএসসিসি প্রশাসক নকলায় শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরীর জবি সাংবাদিকতা অ্যালামনাইয়ের নেতৃত্বে নজরুল-রাজু মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের সময় ৪ বাংলাদেশী আটক নেপালে হিমবাহ ধসে নিহত বেড়ে ৫৪৭, নিখোঁজ ৫১৭ বিদেশি শুটিং শুরুর ঠিক আগে প্রিয়াঙ্কার ‘রিসেট’ সিনেমা ছাড়লেন অরল্যান্ডো ব্লুম

বঙ্গোপসাগরে জাহাজডুবি: নিখোঁজ বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মামুন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের ওডিশা উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে পানামার পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ‘এমভি ওশান উইনার’ ডুবে যাওয়ার পর থেকে বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। পারাদ্বীপ বন্দর থেকে লৌহ আকরিক নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর শনিবার বন্দর থেকে প্রায় ২৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে জাহাজটি ডুবে যায়। ভারতীয় কোস্টগার্ডের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, জাহাজটিতে থাকা ২৪ জন ক্রুর মধ্যে ২০ জন চীনের, ৩ জন মিয়ানমারের এবং ১ জন বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন। এ পর্যন্ত দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

নিখোঁজ আবদুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলায়। তাঁর বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল বাকি জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরের দিকে পরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাঁরা জাহাজডুবির খবর পান। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও মামুনের অবস্থান সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে পরিবারের সবাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, বিশেষ করে মামুনের স্ত্রী বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। মামুনের বাবা-মায়ের শারীরিক অসুস্থতার কারণে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর তথ্যমতে, শনিবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে ভারতের সামুদ্রিক উদ্ধার সমন্বয় কেন্দ্র জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে। এরপর কাছাকাছি থাকা বাণিজ্যিক জাহাজ ‘এমটি আইসোপোস’ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত আটটার দিকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে। পরবর্তী সময়ে নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধানে ভারতীয় কোস্টগার্ডের ‘বরদ’, ‘আনমোল’ ও ‘বিজিত’ নামের তিনটি টহল জাহাজ উদ্ধার অভিযানে যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে।

মামুনের বাল্যবন্ধু সাদাত আল কাবিজু জানিয়েছেন, গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে মামুন ‘এমভি ওশান উইনার’ জাহাজে যোগ দিয়েছিলেন। ওডিশা উপকূল থেকে জাহাজ ছাড়ার আগের রাতে, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তাঁর সঙ্গে মামুনের সর্বশেষ কথা হয়। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেও তারা এখন পর্যন্ত কোনো নতুন তথ্য দিতে পারেনি। পরিবারটি এখন ভারতীয় কোস্টগার্ডের ব্রিফিং বা আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বঙ্গোপসাগরে জাহাজডুবি: নিখোঁজ বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মামুন

আপডেট সময় : ০২:১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের ওডিশা উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে পানামার পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ‘এমভি ওশান উইনার’ ডুবে যাওয়ার পর থেকে বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। পারাদ্বীপ বন্দর থেকে লৌহ আকরিক নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর শনিবার বন্দর থেকে প্রায় ২৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে জাহাজটি ডুবে যায়। ভারতীয় কোস্টগার্ডের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, জাহাজটিতে থাকা ২৪ জন ক্রুর মধ্যে ২০ জন চীনের, ৩ জন মিয়ানমারের এবং ১ জন বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন। এ পর্যন্ত দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

নিখোঁজ আবদুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলায়। তাঁর বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল বাকি জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরের দিকে পরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাঁরা জাহাজডুবির খবর পান। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও মামুনের অবস্থান সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে পরিবারের সবাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, বিশেষ করে মামুনের স্ত্রী বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। মামুনের বাবা-মায়ের শারীরিক অসুস্থতার কারণে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর তথ্যমতে, শনিবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে ভারতের সামুদ্রিক উদ্ধার সমন্বয় কেন্দ্র জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে। এরপর কাছাকাছি থাকা বাণিজ্যিক জাহাজ ‘এমটি আইসোপোস’ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত আটটার দিকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে। পরবর্তী সময়ে নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধানে ভারতীয় কোস্টগার্ডের ‘বরদ’, ‘আনমোল’ ও ‘বিজিত’ নামের তিনটি টহল জাহাজ উদ্ধার অভিযানে যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে।

মামুনের বাল্যবন্ধু সাদাত আল কাবিজু জানিয়েছেন, গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে মামুন ‘এমভি ওশান উইনার’ জাহাজে যোগ দিয়েছিলেন। ওডিশা উপকূল থেকে জাহাজ ছাড়ার আগের রাতে, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তাঁর সঙ্গে মামুনের সর্বশেষ কথা হয়। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেও তারা এখন পর্যন্ত কোনো নতুন তথ্য দিতে পারেনি। পরিবারটি এখন ভারতীয় কোস্টগার্ডের ব্রিফিং বা আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo