ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালের অবকাঠামো ধ্বংস কেন বারবার বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে? হিমবাহধসের পর এবার ভূমিকম্পে কাঁপল তিব্বত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে সাউথ ব্লকের চাপ ও অস্বস্তি বেসামরিক প্রশাসনে সামরিকীকরণ ও মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক সিলেটে ব্যবসায়ী শাহাবউদ্দিন হত্যায় রেস্টুরেন্ট কর্মচারী জালালের স্বীকারোক্তি বেসিস নির্বাচন: ২৬ সেপ্টেম্বর ভোট, চূড়ান্ত তালিকা ৫ সেপ্টেম্বর ব্রুকলিনে বাংলাদেশি ইউসুফ হত্যা: ঘাতকের ছবি প্রকাশ করল নিউইয়র্ক পুলিশ চারজনের খুনের রহস্য উন্মোচনে ব্যর্থতা সরকারের চরম ব্যর্থতা: গোলাম পরওয়ার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ইমদাদুল হুদা সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট: সংস্কার নিয়ে ক্ষোভ

কুবিতে সংঘর্ষ: সাধারণ শিক্ষার্থী বহিষ্কার হলেও ছাত্রদল কর্মীদের বিরুদ্ধে নীরব প্রশাসন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কাজী নজরুল ইসলাম হলের দেওয়ালে ‘JCD’ লেখাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হল প্রভোস্ট, প্রক্টোরিয়াল বডির সদস্য ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতেই এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাধারণ দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলেও অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ইলিয়াস ইসলাম শুভ ও হুমায়ূন কবীর। অন্যদিকে, অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মীরা হলেন ইংরেজি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মারুফ হোসাইন ও শনব দেবনাথ এবং মার্কেটিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সাদেক সাকের।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, হল প্রশাসন পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করার সময় উপস্থিত অন্যদের চলে যেতে বললে সেখানে ধস্তাধস্তি ও মারামারি শুরু হয়। ভিডিও ফুটেজে শনব দেবনাথকে সিগারেট মুখে ইলিয়াস শুভকে আঘাত করতে এবং সাদেক সাকেরকে তাকে জড়িয়ে ধরে রাখতে দেখা যায়। একই সময়ে মারুফ হোসাইনকে শুভর ওপর ঘুষি মারতে দেখা যায়। মারুফ হোসাইন পরে হুমায়ূন কবীরের সঙ্গেও ধস্তাধস্তিতে জড়ান এবং এক পর্যায়ে তার মুখে রক্ত দেখা যায়।

মারুফ হোসাইন জানান, তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন এবং তাকে দুটি সেলাই দিতে হয়েছে। তবে অভিযুক্ত শনব দেবনাথের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাধারণ শিক্ষার্থী ইলিয়াস শুভ ও হুমায়ূন কবীরের অভিযোগ, তারা মারামারি থামাতে গেলে তাদের ওপর চড়াও হওয়া হয়। এছাড়া, বহিষ্কারের পর ইলিয়াস শুভ ও হুমায়ূন কবীরের বিছানাপত্র ও সরঞ্জাম বাইরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শনব দেবনাথ ও সাদেক সাকেরের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে সাদেক সাকের বলেন, তাদের এলাকার ছোট ভাইকে মারধর করার কারণে তারা এসব সরঞ্জাম ফেলে দিয়েছেন।

হল প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার তদন্তে হাউস টিউটর মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাদের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হারুন জানান, চোখের সামনে ঘটা এই ঘটনার তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের সরঞ্জাম ফেলে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

কুবিতে সংঘর্ষ: সাধারণ শিক্ষার্থী বহিষ্কার হলেও ছাত্রদল কর্মীদের বিরুদ্ধে নীরব প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কাজী নজরুল ইসলাম হলের দেওয়ালে ‘JCD’ লেখাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হল প্রভোস্ট, প্রক্টোরিয়াল বডির সদস্য ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতেই এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাধারণ দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলেও অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ইলিয়াস ইসলাম শুভ ও হুমায়ূন কবীর। অন্যদিকে, অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মীরা হলেন ইংরেজি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মারুফ হোসাইন ও শনব দেবনাথ এবং মার্কেটিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সাদেক সাকের।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, হল প্রশাসন পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করার সময় উপস্থিত অন্যদের চলে যেতে বললে সেখানে ধস্তাধস্তি ও মারামারি শুরু হয়। ভিডিও ফুটেজে শনব দেবনাথকে সিগারেট মুখে ইলিয়াস শুভকে আঘাত করতে এবং সাদেক সাকেরকে তাকে জড়িয়ে ধরে রাখতে দেখা যায়। একই সময়ে মারুফ হোসাইনকে শুভর ওপর ঘুষি মারতে দেখা যায়। মারুফ হোসাইন পরে হুমায়ূন কবীরের সঙ্গেও ধস্তাধস্তিতে জড়ান এবং এক পর্যায়ে তার মুখে রক্ত দেখা যায়।

মারুফ হোসাইন জানান, তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন এবং তাকে দুটি সেলাই দিতে হয়েছে। তবে অভিযুক্ত শনব দেবনাথের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাধারণ শিক্ষার্থী ইলিয়াস শুভ ও হুমায়ূন কবীরের অভিযোগ, তারা মারামারি থামাতে গেলে তাদের ওপর চড়াও হওয়া হয়। এছাড়া, বহিষ্কারের পর ইলিয়াস শুভ ও হুমায়ূন কবীরের বিছানাপত্র ও সরঞ্জাম বাইরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শনব দেবনাথ ও সাদেক সাকেরের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে সাদেক সাকের বলেন, তাদের এলাকার ছোট ভাইকে মারধর করার কারণে তারা এসব সরঞ্জাম ফেলে দিয়েছেন।

হল প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার তদন্তে হাউস টিউটর মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাদের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হারুন জানান, চোখের সামনে ঘটা এই ঘটনার তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের সরঞ্জাম ফেলে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh