ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালের অবকাঠামো ধ্বংস কেন বারবার বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে? হিমবাহধসের পর এবার ভূমিকম্পে কাঁপল তিব্বত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে সাউথ ব্লকের চাপ ও অস্বস্তি বেসামরিক প্রশাসনে সামরিকীকরণ ও মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক সিলেটে ব্যবসায়ী শাহাবউদ্দিন হত্যায় রেস্টুরেন্ট কর্মচারী জালালের স্বীকারোক্তি বেসিস নির্বাচন: ২৬ সেপ্টেম্বর ভোট, চূড়ান্ত তালিকা ৫ সেপ্টেম্বর ব্রুকলিনে বাংলাদেশি ইউসুফ হত্যা: ঘাতকের ছবি প্রকাশ করল নিউইয়র্ক পুলিশ চারজনের খুনের রহস্য উন্মোচনে ব্যর্থতা সরকারের চরম ব্যর্থতা: গোলাম পরওয়ার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ইমদাদুল হুদা সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট: সংস্কার নিয়ে ক্ষোভ

রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা ও প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধার বিস্তারিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি এবং সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের অন্য সব ব্যক্তির ঊর্ধ্বে। সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও সরকারপ্রধান নন; রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতার মূল কেন্দ্র হলো প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা। ফলে রাষ্ট্রপতির পদটি মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিক গুরুত্বের দিক থেকে সর্বোচ্চ হলেও তার বাস্তব নির্বাহী ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে সীমিত।

সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির নিজস্ব সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে রাষ্ট্রপতি সেই দলের সংসদীয় নেতাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। তবে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রনীতি-সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে নিয়মিত অবহিত রাখেন। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে কোনো পরামর্শ দিয়েছেন কি না বা দিয়ে থাকলে কী পরামর্শ দিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনো আদালত তদন্ত করতে পারে না।

রাষ্ট্রপতির অন্যতম উল্লেখযোগ্য ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে দণ্ড মার্জনা, স্থগিত, হ্রাস বা মওকুফ করার ক্ষমতা। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া দণ্ড তিনি নির্দিষ্ট সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে মার্জনা করতে পারেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়মুক্তি রয়েছে; তার কার্যকাল চলাকালে তার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি মামলা করা যায় না এবং তাকে গ্রেফতার বা কারাগারে পাঠানোর জন্য পরোয়ানাও জারি করা সম্ভব নয়। তবে সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় তাকে অভিশংসন করা যায়। শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণেও তাকে অপসারণের বিধান রয়েছে। অভিশংসনের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের স্বাক্ষরযুক্ত অভিযোগ স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয় এবং রাষ্ট্রপতিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাব পাস হলে তার পদ শূন্য হয়। ২০০২ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তিনি পদত্যাগ করেন।

রাষ্ট্রপতি জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন না; জাতীয় সংসদের সদস্যরা তাকে নির্বাচিত করেন। প্রার্থী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর হতে হয় এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়। তবে প্রার্থী হওয়ার জন্য সংসদ সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য থাকলে তার পদটি দায়িত্ব গ্রহণের দিন শূন্য হয়ে যায়। রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর, তবে উত্তরাধিকারী দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি পদে বহাল থাকেন। একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি থাকতে পারেন না। আগে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারিত ব্যক্তি আর রাষ্ট্রপতি হতে পারেন না। নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনি কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একাধিক প্রার্থী থাকলে সংসদ সদস্যদের ভোটে সর্বাধিক ভোট পাওয়া ব্যক্তি নির্বাচিত হন, সমান ভোট হলে লটারির বিধান রয়েছে।

আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধার ক্ষেত্রে 'দ্য প্রেসিডেন্টস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (সংশোধন) অ্যাক্ট' অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বর্তমানে মাসিক ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বেতন পান, যা আয়করমুক্ত। ২০১৬ সালে এই বেতন বাড়ানো হয়, যার আগে এটি ছিল ৬১ হাজার ২০০ টাকা। এছাড়াও তিনি বঙ্গভবনের মতো সরকারি বাসভবন, পরিবহন সুবিধা, চিকিৎসা এবং আপ্যায়নের জন্য বার্ষিক ভাতার সুবিধা পান। সরকারি কাজে বিদেশ সফরের সময় তিনি সরকার নির্ধারিত হারে ভাতা প্রাপ্ত হন। পদ ছাড়ার পরও সাবেক রাষ্ট্রপতিরা রাষ্ট্রীয় কিছু সুবিধা ভোগ করেন।

এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী দলটির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। ৬ সংসদ সদস্য ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য প্রার্থী দেওয়ায় এবার ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণ হয়েছে। আর ভোটগ্রহণ শেষে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী দলটির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা ও প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধার বিস্তারিত

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি এবং সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের অন্য সব ব্যক্তির ঊর্ধ্বে। সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও সরকারপ্রধান নন; রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতার মূল কেন্দ্র হলো প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা। ফলে রাষ্ট্রপতির পদটি মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিক গুরুত্বের দিক থেকে সর্বোচ্চ হলেও তার বাস্তব নির্বাহী ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে সীমিত।

সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির নিজস্ব সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে রাষ্ট্রপতি সেই দলের সংসদীয় নেতাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। তবে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রনীতি-সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে নিয়মিত অবহিত রাখেন। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে কোনো পরামর্শ দিয়েছেন কি না বা দিয়ে থাকলে কী পরামর্শ দিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনো আদালত তদন্ত করতে পারে না।

রাষ্ট্রপতির অন্যতম উল্লেখযোগ্য ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে দণ্ড মার্জনা, স্থগিত, হ্রাস বা মওকুফ করার ক্ষমতা। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া দণ্ড তিনি নির্দিষ্ট সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে মার্জনা করতে পারেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়মুক্তি রয়েছে; তার কার্যকাল চলাকালে তার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি মামলা করা যায় না এবং তাকে গ্রেফতার বা কারাগারে পাঠানোর জন্য পরোয়ানাও জারি করা সম্ভব নয়। তবে সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় তাকে অভিশংসন করা যায়। শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণেও তাকে অপসারণের বিধান রয়েছে। অভিশংসনের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের স্বাক্ষরযুক্ত অভিযোগ স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয় এবং রাষ্ট্রপতিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাব পাস হলে তার পদ শূন্য হয়। ২০০২ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তিনি পদত্যাগ করেন।

রাষ্ট্রপতি জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন না; জাতীয় সংসদের সদস্যরা তাকে নির্বাচিত করেন। প্রার্থী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর হতে হয় এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়। তবে প্রার্থী হওয়ার জন্য সংসদ সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য থাকলে তার পদটি দায়িত্ব গ্রহণের দিন শূন্য হয়ে যায়। রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর, তবে উত্তরাধিকারী দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি পদে বহাল থাকেন। একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি থাকতে পারেন না। আগে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারিত ব্যক্তি আর রাষ্ট্রপতি হতে পারেন না। নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনি কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একাধিক প্রার্থী থাকলে সংসদ সদস্যদের ভোটে সর্বাধিক ভোট পাওয়া ব্যক্তি নির্বাচিত হন, সমান ভোট হলে লটারির বিধান রয়েছে।

আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধার ক্ষেত্রে 'দ্য প্রেসিডেন্টস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (সংশোধন) অ্যাক্ট' অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বর্তমানে মাসিক ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বেতন পান, যা আয়করমুক্ত। ২০১৬ সালে এই বেতন বাড়ানো হয়, যার আগে এটি ছিল ৬১ হাজার ২০০ টাকা। এছাড়াও তিনি বঙ্গভবনের মতো সরকারি বাসভবন, পরিবহন সুবিধা, চিকিৎসা এবং আপ্যায়নের জন্য বার্ষিক ভাতার সুবিধা পান। সরকারি কাজে বিদেশ সফরের সময় তিনি সরকার নির্ধারিত হারে ভাতা প্রাপ্ত হন। পদ ছাড়ার পরও সাবেক রাষ্ট্রপতিরা রাষ্ট্রীয় কিছু সুবিধা ভোগ করেন।

এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী দলটির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। ৬ সংসদ সদস্য ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য প্রার্থী দেওয়ায় এবার ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণ হয়েছে। আর ভোটগ্রহণ শেষে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী দলটির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor