হালাল খাদ্যসংস্কৃতি মানবসভ্যতার জন্য বড় সম্পদ: তথ্যমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:৪২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, হালাল খাদ্যসংস্কৃতি এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট মূল্যবোধ কেবল মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবসভ্যতার জন্য একটি বিশাল সম্পদ ও শক্তিতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। তিনি বলেন, হালাল পণ্য ও সংস্কৃতির বিকাশ কেবল ধর্মীয় গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ কোনো বিষয় নয়, বরং এটি বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং মানবকল্যাণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। বিশ্ববাজারে হালাল খাদ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং বিনিয়োগকারী ও ভোক্তা উভয় পক্ষই এখন এই খাতের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রস্তুত।
বুধবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে মালয়েশিয়ান হাইকমিশন আয়োজিত ‘থিংক হালাল, গ্রো গ্লোবাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য সঠিক ব্যবসায়িক কাঠামো, তথ্য ও জ্ঞান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এসবের সঠিক সমন্বয় ঘটলে তা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং সাধারণ ভোক্তাদের কাছে হালাল পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার অভিন্ন মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির কথা উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দুই দেশ যৌথভাবে তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হালাল শিল্পের পরিধি বিশ্ববাজারে আরও বিস্তৃত করতে পারে। তিনি সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী দুই দেশের গভীর বন্ধুত্বের প্রশংসা করেন এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্কের ভিত্তি কেবল কূটনৈতিক যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং পারস্পরিক মূল্যবোধ ও সহযোগিতার ওপর এই সম্পর্ক টিকে আছে। হালাল শিল্প দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করবে।
সেমিনারে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওথমান, বাংলাদেশ মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি আনোয়ার শাহিদ এবং দুই দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।



























