ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদির আরামকো তেল শোধনাগারে ইয়েমেনি বাহিনীর ড্রোন হামলা মহাসড়কে থ্রি হুইলার চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টায় ১৩৩টি সামরিক অভিযান রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসেবী ও ওয়ারেন্টভুক্ত ২৬ জন গ্রেফতার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট মামলা থাকলে মিলবে না বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রণোদনা ও নীতি সহায়তা ইউক্রেনের খারকিভে রাশিয়ার রকেট হামলায় নিহত ১০ আখাউড়ায় কেল্লা শহীদ মাজারের দানবাক্সে মিলল ৩ কোটি ৩ লাখ টাকা ইমরান খানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার গঠনের ছক ২০২৩ সালেই হাসিনাকে জানান মনিরুল

সারা দেশে আড়াইশ অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্লাড ব্যাংক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, মানুষের আস্থা অর্জন এবং নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ২৯ মার্চ থেকে দেশজুড়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. মো. নূরুল ইসলাম জানিয়েছেন, গত পাঁচ মাসে সারা দেশে ২৫০টিরও বেশি অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর অভিযান চালানো হয়েছে। লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকা বা মানহীন হওয়ার কারণে প্রায় ২০০টি ক্লিনিককে সংশোধনের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার প্রতিষ্ঠান তাদের লাইসেন্স নবায়ন করেছে এবং আরও ২ থেকে ৩ হাজার আবেদন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে ১ হাজার ২৮৫টি প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৪১৫টি, এরপর ময়মনসিংহে ২৫২টি, চট্টগ্রামে ২৪০টি, খুলনায় ১৫৬টি, রংপুরে ১১১টি, রাজশাহীতে ৫৫টি, বরিশালে ৪৮টি এবং সিলেটে ৮টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করা হয়েছে। শুধু রাজধানীর ২৫টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান গত কয়েক মাসে বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, শরীয়তপুর, নরসিংদী, পাবনা, মানিকগঞ্জ, ঝিনাইদহ ও রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন অভিযানের বিভিন্ন পর্যায়ে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিককে ছাড় দেওয়া হবে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানিয়েছেন, লাইসেন্স যাচাই, চিকিৎসা সরঞ্জামের মান পরীক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং চিকিৎসকদের সনদপত্র যাচাই করা হচ্ছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক জরিমানা, সিলগালা বা কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি ভুয়া ডাক্তার ও কর্মীদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

সারা দেশে আড়াইশ অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আপডেট সময় : ০৩:০৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্লাড ব্যাংক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, মানুষের আস্থা অর্জন এবং নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ২৯ মার্চ থেকে দেশজুড়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. মো. নূরুল ইসলাম জানিয়েছেন, গত পাঁচ মাসে সারা দেশে ২৫০টিরও বেশি অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর অভিযান চালানো হয়েছে। লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকা বা মানহীন হওয়ার কারণে প্রায় ২০০টি ক্লিনিককে সংশোধনের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার প্রতিষ্ঠান তাদের লাইসেন্স নবায়ন করেছে এবং আরও ২ থেকে ৩ হাজার আবেদন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে ১ হাজার ২৮৫টি প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৪১৫টি, এরপর ময়মনসিংহে ২৫২টি, চট্টগ্রামে ২৪০টি, খুলনায় ১৫৬টি, রংপুরে ১১১টি, রাজশাহীতে ৫৫টি, বরিশালে ৪৮টি এবং সিলেটে ৮টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করা হয়েছে। শুধু রাজধানীর ২৫টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান গত কয়েক মাসে বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, শরীয়তপুর, নরসিংদী, পাবনা, মানিকগঞ্জ, ঝিনাইদহ ও রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন অভিযানের বিভিন্ন পর্যায়ে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিককে ছাড় দেওয়া হবে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানিয়েছেন, লাইসেন্স যাচাই, চিকিৎসা সরঞ্জামের মান পরীক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং চিকিৎসকদের সনদপত্র যাচাই করা হচ্ছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক জরিমানা, সিলগালা বা কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি ভুয়া ডাক্তার ও কর্মীদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor