ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে যুক্ত হলো ২১টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র

- আপডেট সময় : ০৫:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৭: ৪৭ আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৭: ৫২। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও শিক্ষার্থীদের দাবির পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা অবশেষে চালু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে মসজিদটিতে ৫ টন ক্ষমতাসম্পন্ন মোট ২১টি এসি স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে তীব্র গরমের মধ্যেও মুসল্লিরা স্বস্তিতে নামাজ আদায়ের সুযোগ পাচ্ছেন।
দীর্ঘদিন ধরেই মসজিদে এসি ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছিলেন মুসল্লিরা। তবে বিদ্যুৎ সংযোগসহ বিভিন্ন কারিগরি জটিলতায় তা এতদিন সম্ভব হয়নি। ডাকসুর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত হলে এসিগুলো চালু করা সম্ভব হয়। ডাকসুর ক্যারিয়ার উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জানান, মসজিদের কাজের চেয়েও এসির বিদ্যুৎ লাইন পেতে বেশি বেগ পেতে হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যুৎ সেকশন, ডিপিডিসি ও নিকটস্থ বিদ্যুৎ অফিসে দীর্ঘদিন যোগাযোগের পর এই সাফল্য আসে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান জানান, প্রায় চার দশক ধরে মসজিদটি পরিকল্পিত অবহেলার শিকার ছিল। তিনি জানান, ২০২৫ সালের শেষ দিকে ডাকসুর প্রতিনিধি আবু সাদিক, মাজহার ও আসিফসহ তিনি তৎকালীন জ্বালানি উপদেষ্টা ড. ফাওজুল কবির খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর চট্টগ্রামের একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় মসজিদ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ডাকসুর সভাপতির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি ভিসি বাংলোয় দাতাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে সহযোগিতার বিষয়টি চূড়ান্ত করেন।
সাবেক উপাচার্য আরও জানান, সংস্কারকাজ শেষ হলেও বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে এসিগুলো ব্যবহার করা যাচ্ছিল না। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার আগে ড. ফাওজুল কবির খান ও তৎকালীন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেনকে নিয়ে সংস্কারকাজের উদ্বোধন করা হয়েছিল। ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, প্রশাসনের শত বাধা উপেক্ষা করে ডাকসু শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। তবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রশাসনের অসহযোগিতার অভিযোগ করেন। তিনি জানান, নারী শিক্ষার্থীদের জিমনেসিয়ামের উদ্বোধন আটকে দেওয়া এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের ২ কোটি টাকার কাজ প্রশাসনের অনীহার কারণে থমকে আছে। ডাকসু মেয়াদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মৌলিক সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।


























