ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার (৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এ তাগিদ দেন। একই সঙ্গে বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে পরিবেশগত প্রভাব, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনিক ভবনে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন। তিনি জানতে পারেন যে, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় জনবল ও প্রকৌশলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। পরিদর্শনকালে প্রকল্প এলাকায় তিনি একটি স্মারক নিমগাছের চারা রোপণ করেন।

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ঋণ সহায়তায় বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে দুটি ৬০০ মেগাওয়াটের ইউনিট রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়াও এখানে বন্দর সুবিধা, সঞ্চালন লাইন ও অ্যাকসেস রোডের মতো অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে ব্রিফিং শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন শুরু করেন। তিনি ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের স্থানসহ এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প ও নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত এলাকা ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কোল জেটি, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং এলপিজি টার্মিনালের প্রস্তাবিত এলাকাগুলোও পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি ভবিষ্যতে ৩ ও ৪ নম্বর কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কেও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নেন। দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে পরিদর্শন সমাপ্ত করে তিনি হেলিপ্যাডের দিকে রওনা হন এবং দুপুর ১টা ৫ মিনিটে মাতারবাড়ী ত্যাগ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর জোর দেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার (৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এ তাগিদ দেন। একই সঙ্গে বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে পরিবেশগত প্রভাব, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনিক ভবনে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন। তিনি জানতে পারেন যে, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় জনবল ও প্রকৌশলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। পরিদর্শনকালে প্রকল্প এলাকায় তিনি একটি স্মারক নিমগাছের চারা রোপণ করেন।

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ঋণ সহায়তায় বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে দুটি ৬০০ মেগাওয়াটের ইউনিট রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়াও এখানে বন্দর সুবিধা, সঞ্চালন লাইন ও অ্যাকসেস রোডের মতো অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে ব্রিফিং শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন শুরু করেন। তিনি ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের স্থানসহ এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প ও নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত এলাকা ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কোল জেটি, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং এলপিজি টার্মিনালের প্রস্তাবিত এলাকাগুলোও পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি ভবিষ্যতে ৩ ও ৪ নম্বর কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কেও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নেন। দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে পরিদর্শন সমাপ্ত করে তিনি হেলিপ্যাডের দিকে রওনা হন এবং দুপুর ১টা ৫ মিনিটে মাতারবাড়ী ত্যাগ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর জোর দেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor