ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা, জরুরি বিভাগে হামলা ৮টি রং ফর্সাকারী ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি, সতর্ক করল বিএসটিআই শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই: জয়সোয়াল বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্ক: হাইকোর্টের সম্পূরক রুল ঢাকা আলিয়া মাদরাসা এলাকায় সংঘর্ষে নেতৃত্ব দিলেন যুবদল নেতা নয়ন ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় হল দখল নিয়ে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষ চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বাড়াতে সাভারে চালু হচ্ছে হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট হুথি হামলা সত্ত্বেও আরামকোর মুনাফা বেড়েছে ৪৪ শতাংশ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে সম্পৃক্ততা নেই, জানাল ভারত ফরিদপুরে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযানে ৫ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ

৮টি রং ফর্সাকারী ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি, সতর্ক করল বিএসটিআই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা চালিয়ে ৮টি ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারির উপস্থিতি শনাক্ত করেছে। এসব পণ্য বাংলাদেশ মানের (বিডিএস ১৩৮২) নির্ধারিত সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা ১.০০ পিপিএমের তুলনায় বহুগুণ বেশি মার্কারিযুক্ত। জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে এসব প্রসাধনী ক্রয়, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএসটিআই। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিএসটিআইয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিএসটিআইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইদানিং দেশীয় বাজারে বিভিন্ন রং ফর্সাকারী ক্রিম পাওয়া যাচ্ছে, যা বৈধভাবে আমদানি করা হয়নি। লাগেজ বা বিভিন্ন চোরাই পথে এসব পণ্য বাজারে প্রবেশ করায় বিএসটিআইয়ের পক্ষে নিয়মিত মান যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না। বাজার থেকে সংগৃহীত নমুনা বিএসটিআই পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পাকিস্তানের এস.জে এন্টারপ্রাইজের চাঁদনি হোয়াটেনিং ক্রিমে ১২০.৩৯ পিপিএম, কিউসিআই কোম্পানির নিউ ফেস বিউটি ক্রিমে ৪৪.৭২ পিপিএম, লোয়া ইন্টারন্যাশনালের নাভিয়া বিউটি ক্রিমে ৫৯.৮২ পিপিএম এবং নাভিয়া হোয়াটেনিং ক্রিমে ৭৯.৭০ পিপিএম মার্কারি রয়েছে।

এছাড়া পাকিস্তানের নুর এন্টারপ্রাইজের নুর হোয়াটেনিং ক্রিমে ৮২.৭৬ পিপিএম, ক্রিয়েটিভ কসমেটিকসের ডিউ বিউটি ক্রিমে ১২৩.৩৭ পিপিএম, গৌরি কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেডের গৌরি বিউটি ক্রিমে ৫৬.৯৩ পিপিএম এবং চীনের জিএলডিজেবি (হারবিন) কসমেটিকস কোম্পানি লিমিটেডের ন্যাচারাল পার্ল স্ক্রিন ক্রিমে ৬৭.৪৯ পিপিএম মার্কারির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। ভোক্তার জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাই বিএসটিআইয়ের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। যে কোনো প্রতিষ্ঠান ক্ষতিকর উপাদানযুক্ত প্রসাধনী উৎপাদন, আমদানি বা বাজারজাত করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএসটিআই দেশের বাজারকে নিরাপদ রাখতে নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষাগারে পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ, বাজার তদারকি এবং মোবাইল কোর্ট ও সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম জোরদার করেছে। পাশাপাশি তিনি অজ্ঞাত বা অনুমোদনবিহীন ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম ক্রয় ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকা, প্রসাধনী ক্রয়ের আগে অবশ্যই বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ও পণ্যের বৈধতা যাচাই করা এবং সন্দেহজনক কোনো পণ্য সম্পর্কে তথ্য থাকলে বিএসটিআইকে অবহিত করার অনুরোধ জানান।

দীর্ঘদিন মার্কারিযুক্ত স্কিন ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বকের স্বাভাবিক সুরক্ষা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া, স্থায়ী দাগ, অ্যালার্জি, কিডনির ক্ষতি, স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা এবং গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে অনাগত শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হওয়ার মতো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

৮টি রং ফর্সাকারী ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি, সতর্ক করল বিএসটিআই

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
print news

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা চালিয়ে ৮টি ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারির উপস্থিতি শনাক্ত করেছে। এসব পণ্য বাংলাদেশ মানের (বিডিএস ১৩৮২) নির্ধারিত সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা ১.০০ পিপিএমের তুলনায় বহুগুণ বেশি মার্কারিযুক্ত। জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে এসব প্রসাধনী ক্রয়, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএসটিআই। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিএসটিআইয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিএসটিআইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইদানিং দেশীয় বাজারে বিভিন্ন রং ফর্সাকারী ক্রিম পাওয়া যাচ্ছে, যা বৈধভাবে আমদানি করা হয়নি। লাগেজ বা বিভিন্ন চোরাই পথে এসব পণ্য বাজারে প্রবেশ করায় বিএসটিআইয়ের পক্ষে নিয়মিত মান যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না। বাজার থেকে সংগৃহীত নমুনা বিএসটিআই পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পাকিস্তানের এস.জে এন্টারপ্রাইজের চাঁদনি হোয়াটেনিং ক্রিমে ১২০.৩৯ পিপিএম, কিউসিআই কোম্পানির নিউ ফেস বিউটি ক্রিমে ৪৪.৭২ পিপিএম, লোয়া ইন্টারন্যাশনালের নাভিয়া বিউটি ক্রিমে ৫৯.৮২ পিপিএম এবং নাভিয়া হোয়াটেনিং ক্রিমে ৭৯.৭০ পিপিএম মার্কারি রয়েছে।

এছাড়া পাকিস্তানের নুর এন্টারপ্রাইজের নুর হোয়াটেনিং ক্রিমে ৮২.৭৬ পিপিএম, ক্রিয়েটিভ কসমেটিকসের ডিউ বিউটি ক্রিমে ১২৩.৩৭ পিপিএম, গৌরি কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেডের গৌরি বিউটি ক্রিমে ৫৬.৯৩ পিপিএম এবং চীনের জিএলডিজেবি (হারবিন) কসমেটিকস কোম্পানি লিমিটেডের ন্যাচারাল পার্ল স্ক্রিন ক্রিমে ৬৭.৪৯ পিপিএম মার্কারির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। ভোক্তার জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাই বিএসটিআইয়ের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। যে কোনো প্রতিষ্ঠান ক্ষতিকর উপাদানযুক্ত প্রসাধনী উৎপাদন, আমদানি বা বাজারজাত করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএসটিআই দেশের বাজারকে নিরাপদ রাখতে নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষাগারে পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ, বাজার তদারকি এবং মোবাইল কোর্ট ও সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম জোরদার করেছে। পাশাপাশি তিনি অজ্ঞাত বা অনুমোদনবিহীন ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম ক্রয় ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকা, প্রসাধনী ক্রয়ের আগে অবশ্যই বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ও পণ্যের বৈধতা যাচাই করা এবং সন্দেহজনক কোনো পণ্য সম্পর্কে তথ্য থাকলে বিএসটিআইকে অবহিত করার অনুরোধ জানান।

দীর্ঘদিন মার্কারিযুক্ত স্কিন ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বকের স্বাভাবিক সুরক্ষা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া, স্থায়ী দাগ, অ্যালার্জি, কিডনির ক্ষতি, স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা এবং গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে অনাগত শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হওয়ার মতো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor