ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান মাল্টিমিডিয়ার যাত্রা শুরু পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি পদোন্নতি ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রথম দিনেই ভোমরা বন্দর দিয়ে এলো ১০০ টন ভারতীয় কাঁচামরিচ শাহজাদপুরে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে ৩ গাভীর মৃত্যু, ক্ষতি সাড়ে ৬ লাখ টাকা জুলাইয়ের ইতিহাস বিকৃতি রুখতে গণপ্রতিরোধের ডাক শফিকুর রহমানের কেরাণীগঞ্জে দুই তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৬ যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড পলাতক হাসিনার বক্তব্য প্রচারে গণমাধ্যমকে সরকারের কঠোর সতর্কতা ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য খুলছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ৫ আগস্ট সরকারি ছুটি, জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের জন্য ভিন্ন নিয়ম ভারত থেকে আমদানিতে হিলিতে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ৫০ টাকা কমল

পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি পদোন্নতি ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে পদোন্নতি দেওয়ার প্রক্রিয়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই পদোন্নতির লক্ষ্যে ২৬ জন ডিআইজির সার্ভিস রেকর্ড ও এসিআর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ঠেকাতে পর্দার আড়ালে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ সদর দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পদোন্নতিপ্রত্যাশীদের মধ্যে ১৫ ও ১৭ ব্যাচের কর্মকর্তারা রয়েছেন। ১৫ ব্যাচের ৯ জন এবং ১৭ ব্যাচের ১৭ জন ডিআইজি এই দৌড়ে আছেন। অনেক কর্মকর্তার জন্য এটিই কর্মজীবনের সর্বোচ্চ পদোন্নতির সুযোগ। অভিযোগ রয়েছে, কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত ও দলবাজ ডিআইজি তাদের পেশাদার সহকর্মীদের বাদ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তারা প্রায় তিন দশক আগের একটি গাছ কাটার ঘটনাকে পুঁজি করে নিরীহ কর্মকর্তাদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন।

সেই সময় পুলিশ সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালনকারী কয়েকজন মালী জানিয়েছেন, গাছটি রাতের আঁধারে কাটা হয়েছিল এবং কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের ভাষ্যমতে, তৎকালীন আইজিপির নির্দেশেই গাছটি কাটা হয়েছিল। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তারা বারবার পদোন্নতিবঞ্চিত হয়েছেন। এখন সেই বঞ্চনার অবসান হওয়ার কথা থাকলেও, তাদেরই আওয়ামী লীগপন্থি হিসেবে চিহ্নিত করে নতুন করে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

সাবেক আইজিপি আব্দুল কাইয়ুম যুগান্তরকে বলেন, রাজনৈতিক দলের কর্মকর্তা আখ্যা দিয়ে পদোন্নতি ঠেকানোর সংস্কৃতি আওয়ামী লীগ আমল থেকে শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশে এই বাজে কালচার কাম্য নয় এবং সরকার যেন কঠোর হস্তে এগুলো দমন করে। তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সিস্টেম অনুযায়ী পদোন্নতি হওয়া উচিত এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি করা হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। প্রশাসনের ভেতরে মেধার চেয়ে দলবাজিকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি পদোন্নতি ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
print news

পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে পদোন্নতি দেওয়ার প্রক্রিয়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই পদোন্নতির লক্ষ্যে ২৬ জন ডিআইজির সার্ভিস রেকর্ড ও এসিআর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ঠেকাতে পর্দার আড়ালে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ সদর দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পদোন্নতিপ্রত্যাশীদের মধ্যে ১৫ ও ১৭ ব্যাচের কর্মকর্তারা রয়েছেন। ১৫ ব্যাচের ৯ জন এবং ১৭ ব্যাচের ১৭ জন ডিআইজি এই দৌড়ে আছেন। অনেক কর্মকর্তার জন্য এটিই কর্মজীবনের সর্বোচ্চ পদোন্নতির সুযোগ। অভিযোগ রয়েছে, কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত ও দলবাজ ডিআইজি তাদের পেশাদার সহকর্মীদের বাদ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তারা প্রায় তিন দশক আগের একটি গাছ কাটার ঘটনাকে পুঁজি করে নিরীহ কর্মকর্তাদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন।

সেই সময় পুলিশ সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালনকারী কয়েকজন মালী জানিয়েছেন, গাছটি রাতের আঁধারে কাটা হয়েছিল এবং কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের ভাষ্যমতে, তৎকালীন আইজিপির নির্দেশেই গাছটি কাটা হয়েছিল। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তারা বারবার পদোন্নতিবঞ্চিত হয়েছেন। এখন সেই বঞ্চনার অবসান হওয়ার কথা থাকলেও, তাদেরই আওয়ামী লীগপন্থি হিসেবে চিহ্নিত করে নতুন করে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

সাবেক আইজিপি আব্দুল কাইয়ুম যুগান্তরকে বলেন, রাজনৈতিক দলের কর্মকর্তা আখ্যা দিয়ে পদোন্নতি ঠেকানোর সংস্কৃতি আওয়ামী লীগ আমল থেকে শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশে এই বাজে কালচার কাম্য নয় এবং সরকার যেন কঠোর হস্তে এগুলো দমন করে। তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সিস্টেম অনুযায়ী পদোন্নতি হওয়া উচিত এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি করা হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। প্রশাসনের ভেতরে মেধার চেয়ে দলবাজিকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor