ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদি জোটে বাংলাদেশের যোগদানের ব্যাখ্যা দিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয় যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আদালতে হাজতির পাউরুটির ভেতর গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীতে অবৈধ জাল বিরোধী যৌথ অভিযান টেকনাফে বিকাশের ৬০ লাখ টাকা লুট, গুলিবিদ্ধ সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ চলতি মাসেই নতুন দুদক কমিশন গঠনের প্রত্যাশা নতুন সচিবের আইন কর্মকর্তা নিয়োগের অভিযোগ তদন্তে কোনো আপত্তি নেই অ্যাটর্নি জেনারেলের বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইয়ে ল ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এল ৩৫ হাজার কোটি টাকা

সাড়ে ৬ বছরে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৩৮৪ জন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

রাজধানীতে গত সাড়ে ৬ বছরে সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় ১,৩৮৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ে মোট ১,৮৪৯টি দুর্ঘটনায় এই প্রাণহানির পাশাপাশি ২,৪৮৮ জন আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সাম্প্রতিক এক বিজ্ঞপ্তিতে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, নিহতদের মধ্যে ১,০৩৪ জন পুরুষ (৭৪.৭১ শতাংশ), ২১৯ জন নারী (১৫.৮২ শতাংশ) এবং ১৩১ জন শিশু (৯.৪৬ শতাংশ)।

দুর্ঘটনায় শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে পথচারীদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। মোট নিহতের মধ্যে ৫৯২ জন (৪২.৭৭ শতাংশ) পথচারী, ৫৩৬ জন (৩৮.৭২ শতাংশ) মোটরসাইকেল আরোহী এবং ২৫৬ জন (১৮.৪৯ শতাংশ) বাস, রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহনের চালক ও যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার সময়ের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাতের বেলাতেই প্রাণহানি সবচেয়ে বেশি ঘটেছে। মোট নিহতের ৫১৯ জন (৩৭.৫ শতাংশ) রাতে দুর্ঘটনার শিকার হন। এছাড়া সকালে ২৫৮ জন (১৮.৬৪ শতাংশ), দুপুরে ১৯৫ জন (১৪.০৮ শতাংশ), বিকেলে ১৭৪ জন (১২.৫৭ শতাংশ), ভোরে ১৪২ জন (১০.২৬ শতাংশ) এবং সন্ধ্যায় ৯৬ জন (৬.৯৩ শতাংশ) নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের অংশগ্রহণ ছিল সবচেয়ে বেশি, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩.২৫ শতাংশ। এছাড়া মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, বাস ২১.৭৫ শতাংশ, অটোরিকশা, সিএনজি ও লেগুনা ১২.৭৩ শতাংশ এবং মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও জিপ ৬.২৫ শতাংশ দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাইপাস সড়কের অভাব এবং রাত ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত ভারী মালবাহী যানবাহনের দ্রুতগতিতে চলাচল পথচারীদের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী যানজটের ফলে চালকদের মধ্যে তৈরি হওয়া অসহিষ্ণুতা, অপর্যাপ্ত সড়ক অবকাঠামো, ফুটপাত দখল, ফুটওভার ব্রিজের অভাব বা অকার্যকারিতা এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের অসচেতনতা দুর্ঘটনা বৃদ্ধির পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে। যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ককে রাজধানীর দুর্ঘটনাপ্রবণ হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক বাসসেবা চালুর পাশাপাশি বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, সিটি করপোরেশন এবং ট্রাফিক পুলিশের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সাড়ে ৬ বছরে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৩৮৪ জন

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
print news

রাজধানীতে গত সাড়ে ৬ বছরে সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় ১,৩৮৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ে মোট ১,৮৪৯টি দুর্ঘটনায় এই প্রাণহানির পাশাপাশি ২,৪৮৮ জন আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সাম্প্রতিক এক বিজ্ঞপ্তিতে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, নিহতদের মধ্যে ১,০৩৪ জন পুরুষ (৭৪.৭১ শতাংশ), ২১৯ জন নারী (১৫.৮২ শতাংশ) এবং ১৩১ জন শিশু (৯.৪৬ শতাংশ)।

দুর্ঘটনায় শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে পথচারীদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। মোট নিহতের মধ্যে ৫৯২ জন (৪২.৭৭ শতাংশ) পথচারী, ৫৩৬ জন (৩৮.৭২ শতাংশ) মোটরসাইকেল আরোহী এবং ২৫৬ জন (১৮.৪৯ শতাংশ) বাস, রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহনের চালক ও যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার সময়ের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাতের বেলাতেই প্রাণহানি সবচেয়ে বেশি ঘটেছে। মোট নিহতের ৫১৯ জন (৩৭.৫ শতাংশ) রাতে দুর্ঘটনার শিকার হন। এছাড়া সকালে ২৫৮ জন (১৮.৬৪ শতাংশ), দুপুরে ১৯৫ জন (১৪.০৮ শতাংশ), বিকেলে ১৭৪ জন (১২.৫৭ শতাংশ), ভোরে ১৪২ জন (১০.২৬ শতাংশ) এবং সন্ধ্যায় ৯৬ জন (৬.৯৩ শতাংশ) নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের অংশগ্রহণ ছিল সবচেয়ে বেশি, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩.২৫ শতাংশ। এছাড়া মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, বাস ২১.৭৫ শতাংশ, অটোরিকশা, সিএনজি ও লেগুনা ১২.৭৩ শতাংশ এবং মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও জিপ ৬.২৫ শতাংশ দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাইপাস সড়কের অভাব এবং রাত ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত ভারী মালবাহী যানবাহনের দ্রুতগতিতে চলাচল পথচারীদের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী যানজটের ফলে চালকদের মধ্যে তৈরি হওয়া অসহিষ্ণুতা, অপর্যাপ্ত সড়ক অবকাঠামো, ফুটপাত দখল, ফুটওভার ব্রিজের অভাব বা অকার্যকারিতা এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের অসচেতনতা দুর্ঘটনা বৃদ্ধির পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে। যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ককে রাজধানীর দুর্ঘটনাপ্রবণ হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক বাসসেবা চালুর পাশাপাশি বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, সিটি করপোরেশন এবং ট্রাফিক পুলিশের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh