ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে পরিকল্পিত ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিকার হয়েছি: জমিয়ত মহাসচিব আফেন্দী মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হয়েও নিয়োগবঞ্চিত ভোলার ফয়জুল আলম নেত্রকোণায় গোরস্থানের গাছে মিলল নিখোঁজ সাবেক সেনাসদস্যের লাশ সিডনিতে গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে শাবনূর, পাশে বসে গান শোনালেন রবি চৌধুরী মাদ্রাসাসহ পুরো শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি বিএমজিটিএ-এর ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই মোহনগঞ্জে নিখোঁজ অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার, মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ মেট্রোরেলের পিলারে আঁকা হবে খালেদা জিয়া ও জুলাই শহীদদের ছবি জমিসংক্রান্ত বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা, লালমনিরহাট বিএনপির নিন্দা আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচারে ট্রানজিট রুট এখন বাংলাদেশ

রাজশাহী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভাড়া দিল কে, রহস্যের কিনারা নেই

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজশাহী নগরের সাগরপাড়া এলাকায় রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত মেলায় এবার প্রথমবারের মতো ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে রাজশাহী মহানগর (সদর) মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই মেলায় কমপ্লেক্সের নিচতলায় নওগাঁর এক আসবাবপত্র ব্যবসায়ী দোকান বসিয়েছেন। বিশ্বনাথ সরকার নামের এক ব্যক্তি দোকানটি দেখাশোনা করছেন। তার দাবি, মুক্তিযোদ্ধারা তাদের এই জায়গাটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন। অথচ মেলায় রাস্তার পাশের স্টলগুলোর জন্য ব্যবসায়ীদের ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিতে হলেও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের মতো সরকারি ভবনের জন্য কোনো ভাড়া নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ২ হাজার ২১৬ দশমিক ৪০ বর্গফুটের এই ভবনটি ২ কোটি ৫৩ লাখ ১৬ হাজার ৬১৯ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ, যা ২০২৩ সালের ২০ জুলাই হস্তান্তর করা হয়।

ভবনটি ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মধ্যে চরম অস্পষ্টতা রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স পরিচালনা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক এবং সদস্যসচিব সমাজসেবা অধিদপ্তরের রাজশাহীর উপপরিচালক। এছাড়া কমিটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিনিধিও রয়েছেন। রাজশাহী মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ জানিয়েছেন, তিনি এই ভাড়া দেওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত নন এবং কোনো অর্থও পাননি। রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. সবুর আলী এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবুল সালেহ মো. নূর-ঈ-সাইদ—উভয়েই ভবনটি ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের রাজশাহীর উপপরিচালক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মনিরা খাতুন দাবি করেছেন, এই ভবন ভাড়া দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না এবং এর ভেতরে দোকান বসানোর কথা নয়। তিনি জানান, বিষয়টি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়কের দেখার কথা। বিষয়টি সরেজমিনে দেখার কথা বললেও পরে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভবনটিতে হামলার ঘটনায় এটি ভাঙচুর করা হয় এবং বৈদ্যুতিক পাখাসহ সরঞ্জাম লুট হওয়ায় ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভাড়া দিল কে, রহস্যের কিনারা নেই

আপডেট সময় : ০২:১৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

রাজশাহী নগরের সাগরপাড়া এলাকায় রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত মেলায় এবার প্রথমবারের মতো ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে রাজশাহী মহানগর (সদর) মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই মেলায় কমপ্লেক্সের নিচতলায় নওগাঁর এক আসবাবপত্র ব্যবসায়ী দোকান বসিয়েছেন। বিশ্বনাথ সরকার নামের এক ব্যক্তি দোকানটি দেখাশোনা করছেন। তার দাবি, মুক্তিযোদ্ধারা তাদের এই জায়গাটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন। অথচ মেলায় রাস্তার পাশের স্টলগুলোর জন্য ব্যবসায়ীদের ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিতে হলেও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের মতো সরকারি ভবনের জন্য কোনো ভাড়া নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ২ হাজার ২১৬ দশমিক ৪০ বর্গফুটের এই ভবনটি ২ কোটি ৫৩ লাখ ১৬ হাজার ৬১৯ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ, যা ২০২৩ সালের ২০ জুলাই হস্তান্তর করা হয়।

ভবনটি ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মধ্যে চরম অস্পষ্টতা রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স পরিচালনা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক এবং সদস্যসচিব সমাজসেবা অধিদপ্তরের রাজশাহীর উপপরিচালক। এছাড়া কমিটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিনিধিও রয়েছেন। রাজশাহী মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ জানিয়েছেন, তিনি এই ভাড়া দেওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত নন এবং কোনো অর্থও পাননি। রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. সবুর আলী এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবুল সালেহ মো. নূর-ঈ-সাইদ—উভয়েই ভবনটি ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের রাজশাহীর উপপরিচালক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মনিরা খাতুন দাবি করেছেন, এই ভবন ভাড়া দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না এবং এর ভেতরে দোকান বসানোর কথা নয়। তিনি জানান, বিষয়টি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়কের দেখার কথা। বিষয়টি সরেজমিনে দেখার কথা বললেও পরে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভবনটিতে হামলার ঘটনায় এটি ভাঙচুর করা হয় এবং বৈদ্যুতিক পাখাসহ সরঞ্জাম লুট হওয়ায় ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo