ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১১ বছর ধরে বন্ধ এমআরআই, দিনাজপুর মেডিকেলে ব্যাহত চিকিৎসাসেবা ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নাভি পিলাই শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করলেন রিজভী মাদারগঞ্জে আরও দুটি কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাপেক্স শিক্ষকদের বেতন সংকটে বন্ধ লামার মিরিঞ্জা প্রাথমিক বিদ্যালয় সিরাজগঞ্জে তিন মাদক মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক মানচিত্রে ‘লিটল ইতালি’ বাদ, নিউইয়র্কের তহবিল বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে রাশিয়ার জ্বালানি: পুতিন নারায়ণগঞ্জে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে ওয়ালটনের সাথে চুক্তি

মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হয়েও নিয়োগবঞ্চিত ভোলার ফয়জুল আলম

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভোলার লালমোহন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেও নিয়োগপত্র পাননি মো. ফয়জুল আলম। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ায় চূড়ান্ত গেজেটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এ ঘটনায় চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন তিনি এবং নিজের নাম পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্টদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

নিয়োগবঞ্চিত ফয়জুল আলম লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চরটিটিয়া এলাকার কাজী মো. নূরুল ইসলামের ছেলে। তার পরিবারে স্ত্রী, সন্তান, বৃদ্ধ বাবা-মা এবং ভাই-বোন রয়েছেন।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫ এ অংশ নিয়েছিলেন ফয়জুল আলম। ভোলা জেলায় এই নিয়োগে মোট ২৫৬ জন চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে লালমোহন উপজেলার ৪৩ জন উত্তীর্ণ প্রার্থীর মধ্যে ফয়জুল আলম ছাড়া বাকি ৪২ জনই নিয়োগপত্র হাতে পেয়েছেন।

ফয়জুল আলম জানান, তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ বা ফৌজদারি মামলার রেকর্ড নেই। এছাড়া তার কাগজপত্রও সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হবে—এমন নিশ্চিত প্রত্যাশায় তিনি আগের একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাকরিও ছেড়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এর আগে আরও তিনবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে লিখিত ও ভাইভা পর্যন্ত পৌঁছালেও চূড়ান্ত নিয়োগ পাননি। এবার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ভেরিফিকেশনের নামে কোনো এক ‘অদৃশ্য কারণে’ তার নিয়োগ আটকে দেওয়া হয়েছে। সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়স শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আবেদনের সুযোগও তার নেই। তাই মেধার সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমে তার নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে ভোলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, ভোলা জেলায় লালমোহনের ফয়জুল আলমসহ মোট চারজন শিক্ষক বাদ পড়েছেন। এই চারজনের প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে যে নির্দেশনা বা সিদ্ধান্ত আসবে, সেই অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হয়েও নিয়োগবঞ্চিত ভোলার ফয়জুল আলম

আপডেট সময় : ০৬:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

ভোলার লালমোহন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেও নিয়োগপত্র পাননি মো. ফয়জুল আলম। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ায় চূড়ান্ত গেজেটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এ ঘটনায় চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন তিনি এবং নিজের নাম পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্টদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

নিয়োগবঞ্চিত ফয়জুল আলম লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চরটিটিয়া এলাকার কাজী মো. নূরুল ইসলামের ছেলে। তার পরিবারে স্ত্রী, সন্তান, বৃদ্ধ বাবা-মা এবং ভাই-বোন রয়েছেন।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫ এ অংশ নিয়েছিলেন ফয়জুল আলম। ভোলা জেলায় এই নিয়োগে মোট ২৫৬ জন চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে লালমোহন উপজেলার ৪৩ জন উত্তীর্ণ প্রার্থীর মধ্যে ফয়জুল আলম ছাড়া বাকি ৪২ জনই নিয়োগপত্র হাতে পেয়েছেন।

ফয়জুল আলম জানান, তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ বা ফৌজদারি মামলার রেকর্ড নেই। এছাড়া তার কাগজপত্রও সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হবে—এমন নিশ্চিত প্রত্যাশায় তিনি আগের একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাকরিও ছেড়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এর আগে আরও তিনবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে লিখিত ও ভাইভা পর্যন্ত পৌঁছালেও চূড়ান্ত নিয়োগ পাননি। এবার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ভেরিফিকেশনের নামে কোনো এক ‘অদৃশ্য কারণে’ তার নিয়োগ আটকে দেওয়া হয়েছে। সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়স শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আবেদনের সুযোগও তার নেই। তাই মেধার সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমে তার নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে ভোলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, ভোলা জেলায় লালমোহনের ফয়জুল আলমসহ মোট চারজন শিক্ষক বাদ পড়েছেন। এই চারজনের প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে যে নির্দেশনা বা সিদ্ধান্ত আসবে, সেই অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh