ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাটা সন্সের চেয়ারম্যান পদ ছাড়ছেন নটরাজন চন্দ্রশেখরণ বিতর্কিত নওমিকে এশিয়ান গেমসে নারী দলের ম্যানেজার করল বাফুফে ফিলিস্তিন ইস্যু মুছে ফেলতে চায় ইসরাইল: এরদোগান এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমেই হবে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ, আশ্বস্ত শিক্ষক নেতারা বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সরাসরি দেখবেন যেভাবে বিএনপি অলিগার্ক তোষণের পথে হাঁটছে, অভিযোগ নাহিদ ইসলামের গাজীপুর সাফারি পার্কে দুই হাতির মৃত্যু ১১ অক্টোবর সিডনিতে বসছে চট্টগ্রাম ক্লাবের স্প্রিং ফেয়ার ২০২৬ সাংবাদিক নুর মোহাম্মদকে হত্যার হুমকি, ইরাব ও বিএসআরএফের তীব্র নিন্দা ব্রেন ক্যানসারে আক্রান্ত শিশু নূরের চিকিৎসায় সাহায্যের আকুল আবেদন

রান্নার সময় গরুর মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ায় থানায় কড়াই নিয়ে হাজির কর্মীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনার পাইকগাছার পৌর এলাকায় রান্নার সময় গরুর মাংসের রং লাল থেকে অস্বাভাবিকভাবে সবুজ হয়ে যাওয়ার একটি ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে মডার্ন বেকারির কর্মচারীরা পিকনিকের জন্য কেনা মাংস রান্না করতে গিয়ে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। ঘটনার পর আতঙ্কিত কর্মচারীরা রান্না করা মাংসসহ কড়াই নিয়ে প্রথমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এবং পরে থানায় যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মডার্ন বেকারির ২৫ জন কর্মচারী কর্মস্থলে ভোজের আয়োজন করেছিলেন। সকালে বেকারির কর্মচারী লিটন হোসেনসহ তিনজন পাইকগাছা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইলের দোকানে যান। ব্যবসায়ী ইসমাইল তাঁদের জানান যে, সকালে জবাই করা গরুর মাংস শেষ হয়ে গেছে, তবে আগের দিনের ফ্রিজে সংরক্ষিত কিছু মাংস রয়েছে। সেখান থেকে চার কেজি মাংস কিনে তাঁরা রান্নার প্রস্তুতি নেন।

বেকারির কর্মচারীদের ভাষ্যমতে, তেল-মসলা দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে রান্না শুরু করার কিছুক্ষণ পরই মাংসের রং লালচে থেকে নীলচে-সবুজ হতে শুরু করে। মাংস নাড়াচাড়া করার সঙ্গে সঙ্গে এই রং আরও গাঢ় হতে থাকে। বিষয়টি দেখে তাঁরা দ্রুত চুলা থেকে কড়াই নামিয়ে ফেলেন। কর্মচারীরা দাবি করেন, রান্নায় কোনো ধরনের কৃত্রিম রং বা রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়নি।

মাংস বিক্রেতা ইসমাইল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি একই মাংস আরও ১০ থেকে ১২ জন ক্রেতার কাছে বিক্রি করেছেন, কিন্তু অন্য কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। তাঁর দাবি, বেকারিতে অন্য কোনো কারণে বা রাসায়নিকের প্রভাবে এমনটা হতে পারে। অন্যদিকে, কর্মচারীরা বিক্রেতার এই দাবি নাকচ করে মাংসের নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী জানান, দুপুরে বেকারির কর্মচারীরা রান্না করা মাংসের কড়াই নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তবে লিখিত অভিযোগ দিতে রাজি না হওয়ায় এবং মাংস দেখিয়ে কিছুক্ষণ পর তাঁরা কড়াই নিয়ে চলে যান। পরে ওই মাংস ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম জানান, উপজেলা পরিষদ এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে এবং অনেকেই এমন অস্বাভাবিক রং পরিবর্তন দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, তিনিও আগে কখনো এমন রঙের মাংস দেখেননি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

রান্নার সময় গরুর মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ায় থানায় কড়াই নিয়ে হাজির কর্মীরা

আপডেট সময় : ০৯:০১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

খুলনার পাইকগাছার পৌর এলাকায় রান্নার সময় গরুর মাংসের রং লাল থেকে অস্বাভাবিকভাবে সবুজ হয়ে যাওয়ার একটি ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে মডার্ন বেকারির কর্মচারীরা পিকনিকের জন্য কেনা মাংস রান্না করতে গিয়ে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। ঘটনার পর আতঙ্কিত কর্মচারীরা রান্না করা মাংসসহ কড়াই নিয়ে প্রথমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এবং পরে থানায় যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মডার্ন বেকারির ২৫ জন কর্মচারী কর্মস্থলে ভোজের আয়োজন করেছিলেন। সকালে বেকারির কর্মচারী লিটন হোসেনসহ তিনজন পাইকগাছা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইলের দোকানে যান। ব্যবসায়ী ইসমাইল তাঁদের জানান যে, সকালে জবাই করা গরুর মাংস শেষ হয়ে গেছে, তবে আগের দিনের ফ্রিজে সংরক্ষিত কিছু মাংস রয়েছে। সেখান থেকে চার কেজি মাংস কিনে তাঁরা রান্নার প্রস্তুতি নেন।

বেকারির কর্মচারীদের ভাষ্যমতে, তেল-মসলা দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে রান্না শুরু করার কিছুক্ষণ পরই মাংসের রং লালচে থেকে নীলচে-সবুজ হতে শুরু করে। মাংস নাড়াচাড়া করার সঙ্গে সঙ্গে এই রং আরও গাঢ় হতে থাকে। বিষয়টি দেখে তাঁরা দ্রুত চুলা থেকে কড়াই নামিয়ে ফেলেন। কর্মচারীরা দাবি করেন, রান্নায় কোনো ধরনের কৃত্রিম রং বা রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়নি।

মাংস বিক্রেতা ইসমাইল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি একই মাংস আরও ১০ থেকে ১২ জন ক্রেতার কাছে বিক্রি করেছেন, কিন্তু অন্য কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। তাঁর দাবি, বেকারিতে অন্য কোনো কারণে বা রাসায়নিকের প্রভাবে এমনটা হতে পারে। অন্যদিকে, কর্মচারীরা বিক্রেতার এই দাবি নাকচ করে মাংসের নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী জানান, দুপুরে বেকারির কর্মচারীরা রান্না করা মাংসের কড়াই নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তবে লিখিত অভিযোগ দিতে রাজি না হওয়ায় এবং মাংস দেখিয়ে কিছুক্ষণ পর তাঁরা কড়াই নিয়ে চলে যান। পরে ওই মাংস ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম জানান, উপজেলা পরিষদ এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে এবং অনেকেই এমন অস্বাভাবিক রং পরিবর্তন দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, তিনিও আগে কখনো এমন রঙের মাংস দেখেননি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo