ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

চট্টগ্রামে পাহাড় ধস ও বন্যায় ১৩ জনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামে টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড় ধসের ঘটনায় ভয়াবহ দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আরও ১২ জন আহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি উপজেলা ও মহানগরীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরসহ বাঁশখালী, সন্দ্বীপ, সাতকানিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী, সীতাকুণ্ড, মীরসরাই, হাটহাজারী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, পটিয়া, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও ফটিকছড়ি উপজেলার মোট ১৫২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সরকারি হিসাবমতে, জেলার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০টি পরিবার বর্তমানে সম্পূর্ণ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

দুর্গত মানুষদের সহায়তায় জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে ৫৮০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করেছে, যেখানে ২১ হাজার ৯০০ জন আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৭১০ মেট্রিক টন বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ৮৫ লাখ টাকা নগদ সহায়তার মধ্যে ৬০ লাখ টাকা বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

খাদ্য সহায়তার বিষয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ পর্যন্ত ৩৯ হাজার ২৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১৫ হাজার ১০০ প্যাকেট রান্না করা খাবার দুর্গত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান জেলা প্রশাসনের তহবিলে ৪৯০ মেট্রিক টন চাল এবং ২৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ মজুদ রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে পাহাড় ধস ও বন্যায় ১৩ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড় ধসের ঘটনায় ভয়াবহ দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আরও ১২ জন আহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি উপজেলা ও মহানগরীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরসহ বাঁশখালী, সন্দ্বীপ, সাতকানিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী, সীতাকুণ্ড, মীরসরাই, হাটহাজারী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, পটিয়া, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও ফটিকছড়ি উপজেলার মোট ১৫২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সরকারি হিসাবমতে, জেলার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০টি পরিবার বর্তমানে সম্পূর্ণ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

দুর্গত মানুষদের সহায়তায় জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে ৫৮০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করেছে, যেখানে ২১ হাজার ৯০০ জন আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৭১০ মেট্রিক টন বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ৮৫ লাখ টাকা নগদ সহায়তার মধ্যে ৬০ লাখ টাকা বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

খাদ্য সহায়তার বিষয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ পর্যন্ত ৩৯ হাজার ২৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১৫ হাজার ১০০ প্যাকেট রান্না করা খাবার দুর্গত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান জেলা প্রশাসনের তহবিলে ৪৯০ মেট্রিক টন চাল এবং ২৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ মজুদ রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh