ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অনুমতি ছাড়া ছবি তোলা ও ছড়ানো কি আইনত অপরাধ? আসামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের ঘর তৈরি করছেন সালমান খান ইয়াশের ‘টক্সিক’ ট্রেলার: সঙ্গে কিয়ারা-নয়নতারা ও অ্যাকশনের নতুন জগৎ সালমান শাহের সঙ্গে প্রথম কাজের স্মৃতিচারণ করলেন তুষার খান দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ, সিএনজি স্টেশনে কমছে ভোগান্তি জ্বর নিয়েই শুটিংয়ে অবিকা, শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি কে হচ্ছেন দেশের ২৩তম প্রেসিডেন্ট, সিদ্ধান্ত কেবল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সিরাজুল ইসলাম আপসহীন ছিলেন: মির্জা ফখরুল বুদ্ধিজীবী ও স্বৈরাচারের সখ্য: ক্ষমতার মোহে সততার বিসর্জন

পানি বেড়েছে তিস্তায়, খুলে দেওয়া হয়েছে জলকপাট

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ১১:২২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ৭০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা সর্তকীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্রের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম বলেন, তিস্তার পানি রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ৫১.৯৭ সেন্টিমিটার; যা বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচে। এ পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। তিস্তায় আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে পানি। সোমবার রাত ৯টায় নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা সর্তকীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্রের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, মাত্র ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়। পরে রাত ৯টায় আরও সাত সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে তিস্তা নদীর পানি ২৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

অপরদিকে ভারতের দোমোহনী পয়েন্টে রাত ৯টায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার (৮৫.৯৫) ৩৬ সেন্টিমিটার (৮৫.৬৯) নিচ দিয়ে এবং মেখলিগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার (৬৫.৯৫) দশমিক ২০ সেন্টিমিটার (৬৬.১৫) উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানা যায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, “উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে তিস্তার পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর জন্য কমলা সংকেত জারি করেছে। পাশাপাশি নদী তীরবর্তী এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

এদিকে পানি বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় তিস্তা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেকেই নদীর পানি বৃদ্ধির খবর জানতে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তবে তিস্তার পানি আরও বাড়তে থাকলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে এলাকাবাসী জানায়।

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল ৯টায় পানি ৫১ দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার; যা বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। দুপুর ১২টায় পানি আরও দুই সেন্টিমিটার কমে ৫১.৭৬ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল; যা বিকাল ৩টা পর্যন্ত একই লেভেলে ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

পানি বেড়েছে তিস্তায়, খুলে দেওয়া হয়েছে জলকপাট

আপডেট সময় : ১১:২২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
print news

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা সর্তকীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্রের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম বলেন, তিস্তার পানি রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ৫১.৯৭ সেন্টিমিটার; যা বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচে। এ পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। তিস্তায় আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে পানি। সোমবার রাত ৯টায় নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা সর্তকীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্রের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, মাত্র ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়। পরে রাত ৯টায় আরও সাত সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে তিস্তা নদীর পানি ২৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

অপরদিকে ভারতের দোমোহনী পয়েন্টে রাত ৯টায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার (৮৫.৯৫) ৩৬ সেন্টিমিটার (৮৫.৬৯) নিচ দিয়ে এবং মেখলিগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার (৬৫.৯৫) দশমিক ২০ সেন্টিমিটার (৬৬.১৫) উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানা যায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, “উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে তিস্তার পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর জন্য কমলা সংকেত জারি করেছে। পাশাপাশি নদী তীরবর্তী এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

এদিকে পানি বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় তিস্তা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেকেই নদীর পানি বৃদ্ধির খবর জানতে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তবে তিস্তার পানি আরও বাড়তে থাকলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে এলাকাবাসী জানায়।

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল ৯টায় পানি ৫১ দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার; যা বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। দুপুর ১২টায় পানি আরও দুই সেন্টিমিটার কমে ৫১.৭৬ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল; যা বিকাল ৩টা পর্যন্ত একই লেভেলে ছিল।