ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঐতিহাসিক জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানাল মন্ত্রিসভা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা: বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ঝিনাইদহে ৬ মাসে ১৮৯ জনের আত্মহত্যা, গত বছরের চেয়ে বেড়েছে ১৪ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস পরীক্ষা শেষে শুটিংয়ে ফিরলেন অভিনেত্রী মাফতুহা জান্নাত জীম সরাইলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানজটের ভোগান্তি চরমে গ্রিসে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত তিন আরোহী বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ছয় মাসে নিহত ৩৯ নেতাকর্মী দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৫,০১৯ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন তারাকান্দায় ট্রান্সফরমার বিকল: দুই মাস ধরে অন্ধকারে দুই গ্রাম

ঈদে ঘরমুখো মানুষকে স্বস্তি দিতে সৈয়দপুর রেলকারখানায় মেরামত হচ্ছে ১২৭ রেল কোচ

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ১০২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। ঈদ উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত কোচ প্রস্তুতের কাজে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বাড়তি যাত্রীচাপ সামাল দিতে সেখানে ১২৭টি কোচ মেরামত ও সচল করার কাজ চলছে। মেরামত শেষে এসব কোচ দেশের বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের স্বস্তি দিতে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানায় মেরামত করে চকচকে করা হচ্ছে রেলকোচ।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত কোচ প্রস্তুতের কাজে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কারখানার ২৮টি শপের শ্রমিক ও প্রকৌশলীরা নিয়মিত কর্মঘণ্টার পরও অতিরিক্ত সময় কাজ করছেন। ইতিমধ্যে ৯৯টি কোচ ট্রাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। অবশিষ্ট কোচগুলো আগামী কয়েক কর্মদিবসের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।

সূত্র আরো জানায়, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ২ হাজার ৮৫৯টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৬৬৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। অর্থাৎ মাত্র ২৩ শতাংশ জনবল নিয়ে দেশের অন্যতম বৃহৎ রেলওয়ে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তীব্র জনবলসংকটের মধ্যেও ঈদ যাত্রাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরাতন কোচগুলোর জরাজীর্ণ কাঠামো পরিবর্তন, চাকার ট্রলি মেরামত, আসনবিন্যাস, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও রং-সাজসজ্জার কাজ করা হচ্ছে। এ কাজে বগি, হেভি রিপেয়ারিং, ক্যারেজ কনস্ট্রাকশন ও পেইন্ট শপসহ আরো ২৪টি শপ সহায়তা করছে ।

বিভিন্ন শপে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, প্রয়োজনীয় মালামাল ও জনবলসংকট থাকলেও ঈদে যাত্রী সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত শ্রম ও সময় দিয়ে তারা কোচগুলো দ্রুত প্রস্তুতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। যাতে অধিকসংখ্যক যাত্রী নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারেন।

কারখানার শিডিউল শপের ইনচার্জ প্রকৌশলী রুহুল আমীন জানান, ‘ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে ১২৭টি কোচ সচল করা হচ্ছে। যাত্রীচাপ মোকাবিলায় বাড়তি কোচ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমরা নিরলস ভাবে কাজ করছি।

কারখানার প্রতিটি শপে স্বাভাবিক কাজের পাশাপাশি এসব কোচ মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ করছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঈদে ঘরমুখো মানুষকে স্বস্তি দিতে সৈয়দপুর রেলকারখানায় মেরামত হচ্ছে ১২৭ রেল কোচ

আপডেট সময় : ১২:২৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। ঈদ উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত কোচ প্রস্তুতের কাজে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বাড়তি যাত্রীচাপ সামাল দিতে সেখানে ১২৭টি কোচ মেরামত ও সচল করার কাজ চলছে। মেরামত শেষে এসব কোচ দেশের বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের স্বস্তি দিতে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানায় মেরামত করে চকচকে করা হচ্ছে রেলকোচ।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত কোচ প্রস্তুতের কাজে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কারখানার ২৮টি শপের শ্রমিক ও প্রকৌশলীরা নিয়মিত কর্মঘণ্টার পরও অতিরিক্ত সময় কাজ করছেন। ইতিমধ্যে ৯৯টি কোচ ট্রাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। অবশিষ্ট কোচগুলো আগামী কয়েক কর্মদিবসের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।

সূত্র আরো জানায়, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ২ হাজার ৮৫৯টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৬৬৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। অর্থাৎ মাত্র ২৩ শতাংশ জনবল নিয়ে দেশের অন্যতম বৃহৎ রেলওয়ে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তীব্র জনবলসংকটের মধ্যেও ঈদ যাত্রাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরাতন কোচগুলোর জরাজীর্ণ কাঠামো পরিবর্তন, চাকার ট্রলি মেরামত, আসনবিন্যাস, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও রং-সাজসজ্জার কাজ করা হচ্ছে। এ কাজে বগি, হেভি রিপেয়ারিং, ক্যারেজ কনস্ট্রাকশন ও পেইন্ট শপসহ আরো ২৪টি শপ সহায়তা করছে ।

বিভিন্ন শপে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, প্রয়োজনীয় মালামাল ও জনবলসংকট থাকলেও ঈদে যাত্রী সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত শ্রম ও সময় দিয়ে তারা কোচগুলো দ্রুত প্রস্তুতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। যাতে অধিকসংখ্যক যাত্রী নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারেন।

কারখানার শিডিউল শপের ইনচার্জ প্রকৌশলী রুহুল আমীন জানান, ‘ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে ১২৭টি কোচ সচল করা হচ্ছে। যাত্রীচাপ মোকাবিলায় বাড়তি কোচ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমরা নিরলস ভাবে কাজ করছি।

কারখানার প্রতিটি শপে স্বাভাবিক কাজের পাশাপাশি এসব কোচ মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ করছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।