ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ গ্রেফতার-৪ ফতুল্লা উত্তর দেলপাড়ায় স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীকে নির্মম হত্যা ঘাতক স্ত্রী গ্রেফতার অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ড তদন্তের দাবি সংসদে, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে ব্যাংকের ১৭ লক্ষ টাকা চুরির রহস্য উদ্ঘাটন নিরাপত্তা প্রহরী রংপুর থেকে গ্রেফতার কক্সবাজার ইয়াবা সহ আটক ১ ভোলায় ফুটপাতের পাগলী মা হলেও বাবা হলোনা কেউ নবীনগরে গাঁজা সহ আটক-১ দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপরে

কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি হতাশায়।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩ ৩০৮ বার পড়া হয়েছে

কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি হতাশায়।

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

খাগড়াছড়ি জেলায় লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি এখন হতাশায়। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে। তখন কলেজটি ছিলো , বেসরকারি। বতর্মানে কলেজটি সরকারি ঘোষিত । কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জমির মালিককে শর্তগুলো মেনে প্রতি্শ্রুতি দেয় ২০১৭ সালে। কলেজের জায়গাটি দানকারীর নাম – সুচ ধন চাকমা, বাবার নাম – নবীনসেন চাকমা, মায়ের নাম – দস্তাপতি চাকমা, নিজের খতিয়ান ভুক্ত জায়গা ১ একর ৩০ শতক কলেজে গত ২০১৭ সালে, ক্ষতিপূরণ ছাড়া লিখিত দুটি শর্ত সাপেক্ষে দান করে দেয় ।
20230121 174031
তখন উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব টাটু মনি চাকমা , উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার। আরো উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ শর্তগুলো মেনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বাক্ষর করলেও এখনোও জমির মালিক লিখিত দাবিগুলো পায় নি । দাবিগুলো ছিলো (১) একটি প্লট দেওয়া (২) একজনকে চাকুরী দেওয়া।রাস্তার পাশে প্লটটি না দিয়ে বাউন্ডারি ওয়াল্ড দেওয়া হয়েছে। জমির মালিক মনে করেন, সভাপতি টাটু মনি চাকমা অসুস্থতায় মারা যাওয়ার কারণে আমার দাবিগুলো দিতে নারাজ ৷ ১ একর ৩০ শতক জায়গাটি বাধে অধ্যক্ষ বিভিন্ন কৌশলে আরো বাড়তি জমি জোরজবর দুষ্টি করে কেড়ে নিচ্ছে। জমির মালিক বলেন, কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি চুক্তির স্বাক্ষর ৬ বছর অতিবাহিত হলেও সেই দাবিগুলো এখনোও দেয়া হয় নি। জমির মালিক আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য দান করে দিয়েছি। কোনো টাকা পয়সা নিই নি। আমি ক্যান্সার রোগী। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছি না।এখন আমি অর্থনৈতিকভাবে খুব খারাপ অবস্থায় আছি।
আগে জমিটি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতাম। এখন আর সেই সম্বল টুকু নেই। জমির মালিক আরো বলেন, আমার আরো সামান্য জায়গা আছে কলেজে পাশে, এখন কলেজের অধ্যক্ষ ভয়ভীতি দেখিয়ে সেই জায়গা টুকুও জোর করে নিচ্ছে, মালিকটি আমাদের জানিয়েছে । মালিকের অর্থনৈতিকের অবস্থা ভালো না থাকার কারণে আইনী লড়াই লড়তে পারছেনা

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি হতাশায়।

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩
print news

খাগড়াছড়ি জেলায় লক্ষীছড়ি সরকারি কলেজে জায়গা দানকারী ব্যক্তি এখন হতাশায়। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে। তখন কলেজটি ছিলো , বেসরকারি। বতর্মানে কলেজটি সরকারি ঘোষিত । কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জমির মালিককে শর্তগুলো মেনে প্রতি্শ্রুতি দেয় ২০১৭ সালে। কলেজের জায়গাটি দানকারীর নাম – সুচ ধন চাকমা, বাবার নাম – নবীনসেন চাকমা, মায়ের নাম – দস্তাপতি চাকমা, নিজের খতিয়ান ভুক্ত জায়গা ১ একর ৩০ শতক কলেজে গত ২০১৭ সালে, ক্ষতিপূরণ ছাড়া লিখিত দুটি শর্ত সাপেক্ষে দান করে দেয় ।
20230121 174031
তখন উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব টাটু মনি চাকমা , উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার। আরো উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ শর্তগুলো মেনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বাক্ষর করলেও এখনোও জমির মালিক লিখিত দাবিগুলো পায় নি । দাবিগুলো ছিলো (১) একটি প্লট দেওয়া (২) একজনকে চাকুরী দেওয়া।রাস্তার পাশে প্লটটি না দিয়ে বাউন্ডারি ওয়াল্ড দেওয়া হয়েছে। জমির মালিক মনে করেন, সভাপতি টাটু মনি চাকমা অসুস্থতায় মারা যাওয়ার কারণে আমার দাবিগুলো দিতে নারাজ ৷ ১ একর ৩০ শতক জায়গাটি বাধে অধ্যক্ষ বিভিন্ন কৌশলে আরো বাড়তি জমি জোরজবর দুষ্টি করে কেড়ে নিচ্ছে। জমির মালিক বলেন, কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি চুক্তির স্বাক্ষর ৬ বছর অতিবাহিত হলেও সেই দাবিগুলো এখনোও দেয়া হয় নি। জমির মালিক আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য দান করে দিয়েছি। কোনো টাকা পয়সা নিই নি। আমি ক্যান্সার রোগী। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছি না।এখন আমি অর্থনৈতিকভাবে খুব খারাপ অবস্থায় আছি।
আগে জমিটি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতাম। এখন আর সেই সম্বল টুকু নেই। জমির মালিক আরো বলেন, আমার আরো সামান্য জায়গা আছে কলেজে পাশে, এখন কলেজের অধ্যক্ষ ভয়ভীতি দেখিয়ে সেই জায়গা টুকুও জোর করে নিচ্ছে, মালিকটি আমাদের জানিয়েছে । মালিকের অর্থনৈতিকের অবস্থা ভালো না থাকার কারণে আইনী লড়াই লড়তে পারছেনা