ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ঝিনাইদহে পুকুরে ডুবে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু অনারারি ডক্টরেট পেলেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি প্রাণ গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হাসিনাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ বলা চসিক সচিবের অডিও ফাঁস কিশোরগঞ্জে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উগ্রবাদ প্রতিরোধে  উলিপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা

রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫ ২৪১ বার পড়া হয়েছে

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উগ্রবাদ প্রতিরোধে  উলিপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ প্রতিরোধ এবং সমসাময়িক সামাজিক সমস্যা সমাধানে ইসলামের ভূমিকা বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে কুড়িগ্রামের উলিপুরে

সোমবার, ৭ জুলাই সকাল ১০টায় উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন উলিপুর শাখার উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভাসভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নয়ন কুমার সাহা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাবুল হোসেন।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ইমাম, খতিব, আলেম-ওলামা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষকগণ এবং স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, ইসলাম শান্তি, সহনশীলতা ও মানবতার ধর্ম। ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা সমাজে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা সম্ভব। ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে কোনো জঙ্গি কার্যক্রম ইসলাম সমর্থন করে না।

প্রধান অতিথি ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, “ইসলামের মৌলিক শিক্ষা হলো শান্তি ও মানবিকতা। ইমাম-মুসল্লিদের সচেতন ভূমিকার মাধ্যমেই সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব।”

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও নয়ন কুমার সাহা বলেন, “উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস দমনে প্রশাসনের পাশাপাশি ধর্মীয় নেতাদের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ সমাজকে সঠিক ধর্মীয় শিক্ষা দিতে পারলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।”
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা উগ্রবাদ, গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় বিভেদ রোধে ইসলামিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করেন স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উগ্রবাদ প্রতিরোধে  উলিপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা

আপডেট সময় : ০৮:২২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ প্রতিরোধ এবং সমসাময়িক সামাজিক সমস্যা সমাধানে ইসলামের ভূমিকা বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে কুড়িগ্রামের উলিপুরে

সোমবার, ৭ জুলাই সকাল ১০টায় উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন উলিপুর শাখার উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভাসভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নয়ন কুমার সাহা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাবুল হোসেন।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ইমাম, খতিব, আলেম-ওলামা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষকগণ এবং স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, ইসলাম শান্তি, সহনশীলতা ও মানবতার ধর্ম। ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা সমাজে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা সম্ভব। ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে কোনো জঙ্গি কার্যক্রম ইসলাম সমর্থন করে না।

প্রধান অতিথি ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, “ইসলামের মৌলিক শিক্ষা হলো শান্তি ও মানবিকতা। ইমাম-মুসল্লিদের সচেতন ভূমিকার মাধ্যমেই সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব।”

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও নয়ন কুমার সাহা বলেন, “উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস দমনে প্রশাসনের পাশাপাশি ধর্মীয় নেতাদের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ সমাজকে সঠিক ধর্মীয় শিক্ষা দিতে পারলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।”
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা উগ্রবাদ, গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় বিভেদ রোধে ইসলামিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করেন স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষ।