ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালীগঞ্জে ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি ৫ জনের কারাদণ্ড সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেফতার রাজধানীতে ৩ দিনে ট্রেনের ধাক্কায় ৪ জনের মৃত্যু টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে গ্রেনেড, গুলি, গাঁজা উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে প্রেমিকাকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে গণধর্ষণ প্রেমিক সহ গ্রেফতার-৩ সকাল ৯টায় অফিস, কিন্তু সাড়ে ৯টায়ও খোঁজ নেই অধিকাংশ কর্মকর্তার আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ ঢাকায় আমজাদহাট সোসাইটির ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা ছাগলনাইয়া মানারাত হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় গৃহবধূর মৃত্যু মুগদায় হানি ট্র্যাপ থেকে কিশোর গ্যাং অপরাধ চক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ

গাজী টায়ারস অগ্নিকাণ্ডে ঘটনায় ৫ যুবক গ্রেপ্তার

মোঃ মাহবুবুর রহমান,ব্যুরো প্রধান --ঢাকা বিভাগ,
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

গাজী টায়ারস অগ্নিকাণ্ডে ঘটনায় ৫ যুবক গ্রেপ্তার

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ মাহবুবুর রহমান,ব্যুরো প্রধান –ঢাকা বিভাগ,

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বহুল আলোচিত গাজী টায়ারস কারখানার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭৪ জন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পাঁচ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার তারাব পৌরসভার মাসাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার বরপা কবরস্থান এলাকার রমজান আলী ভুইয়ার ছেলে রাজু মিয়া, নুরুল আমিনের ছেলে সিহাব, আক্তার হোসেনের ছেলে বেলায়েত হোসেন, সোলেইমান মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া ও মৃত রহমত উল্লাহর ছেলে শফিকুল ইসলাম।

গাজী টায়ারস কারখানার সহ-ব্যবস্থাপক পল রডিক্স বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে রূপসী এলাকার গাজী টায়ারস কারখানায় অজ্ঞাতনামা একদল উশৃঙ্খল ব্যক্তি গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তারা কারখানার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩৯৪ কোটি ৭৬ লাখ ৬৮ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং নিখোঁজ হন ১৭৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর, ১২ অক্টোবর রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, তদন্তে গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মেলায় তাদের আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাসাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়।

এই অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই কারখানাটিতে নিরাপত্তা ও শ্রমিক কল্যাণ ব্যবস্থা ছিল অব্যবস্থাপনার মধ্যে, যা এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। পুলিশ বলছে, তদন্ত চলছে এবং আরও কেউ জড়িত থাকলে আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

গাজী টায়ারস অগ্নিকাণ্ডে ঘটনায় ৫ যুবক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:২০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
print news

মোঃ মাহবুবুর রহমান,ব্যুরো প্রধান –ঢাকা বিভাগ,

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বহুল আলোচিত গাজী টায়ারস কারখানার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭৪ জন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পাঁচ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার তারাব পৌরসভার মাসাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার বরপা কবরস্থান এলাকার রমজান আলী ভুইয়ার ছেলে রাজু মিয়া, নুরুল আমিনের ছেলে সিহাব, আক্তার হোসেনের ছেলে বেলায়েত হোসেন, সোলেইমান মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া ও মৃত রহমত উল্লাহর ছেলে শফিকুল ইসলাম।

গাজী টায়ারস কারখানার সহ-ব্যবস্থাপক পল রডিক্স বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে রূপসী এলাকার গাজী টায়ারস কারখানায় অজ্ঞাতনামা একদল উশৃঙ্খল ব্যক্তি গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তারা কারখানার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩৯৪ কোটি ৭৬ লাখ ৬৮ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং নিখোঁজ হন ১৭৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর, ১২ অক্টোবর রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, তদন্তে গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মেলায় তাদের আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাসাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়।

এই অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই কারখানাটিতে নিরাপত্তা ও শ্রমিক কল্যাণ ব্যবস্থা ছিল অব্যবস্থাপনার মধ্যে, যা এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। পুলিশ বলছে, তদন্ত চলছে এবং আরও কেউ জড়িত থাকলে আইনের আওতায় আনা হবে।