ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খাঁটি মধু নাকি চিনির সিরাপ? চেনার উপায় কী? মরিনহোর কৌশলে রোমার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াল রিয়াল মাদ্রিদ রমনা কালীমন্দিরে রিজভী: সব ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে ইস্তাম্বুলে ৮০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৪ দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় রশমি দেশাই, জানালেন কেন দূরে ছিলেন আজকের খেলার সূচি: বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই স্পেসএক্সের রকেট প্রযুক্তিতে আকাশে উড়বে টেসলার ‘রোডস্টার ২’ গণহত্যাকারী দল হিসেবে আ.লীগের বিচার ও কার্যক্রম নিয়ে সংশয় গায়ে হলুদের দিনই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন বর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ দখল করতে চায় হুতিরা

শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ না পেয়ে নিজেই উদ্যোক্তা খাদিজা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভ্রমণ-সম্পর্কিত ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা খাদিজাতুল কোবরা সেই ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নতুন কিছু করার লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। ছোটবেলা থেকেই শাড়ির প্রতি তাঁর বিশেষ ভালো লাগা ছিল, তবে শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ খুঁজে পাওয়াটা তাঁর কাছে সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং মনে হতো। বাজারে মনের মতো ব্লাউজ না পাওয়ায় তিনি নিজেই ব্লাউজের নকশা করা শুরু করেন, যা পরবর্তীতে একটি সফল ব্যবসায়িক রূপ পায়।

২০২০ সালের জুন মাসে অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে 'চিত্রাঙ্গদা'র যাত্রা শুরু হয়। শুরুর দিকে খাদিজা নিজেই নকশা তৈরি, পণ্য সংরক্ষণ এবং অর্ডার গ্রহণের মতো সব কাজ বাসা থেকেই পরিচালনা করতেন। কাজের পরিধি বাড়তে থাকায় ২০২১ সালে তিনি পশ্চিম কাজীপাড়ায় একটি জায়গা ভাড়া নেন। শুরুতে এটি কেবল অফিস ও পণ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হলেও, ক্রেতাদের আগ্রহের কারণে এটি চিত্রাঙ্গদার 'এক্সপেরিয়েন্স জোন' হিসেবে গড়ে ওঠে। খাদিজা জানান, ঠিকানা প্রকাশের তিন দিনের মধ্যেই ক্রেতারা সেখানে আসতে শুরু করেন।

বর্তমানে চিত্রাঙ্গদার নিজস্ব ওয়েবসাইট ছাড়াও ধানমন্ডির হাটকাহন এবং চট্টগ্রামে বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কারখানা, অফিস ও অনলাইন কার্যক্রম মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ১৫ জন কর্মী কাজ করছেন। খাদিজা নিজেই সব ব্লাউজের নকশা করেন, যেখানে লেস, এমব্রয়ডারি ও আধুনিক কাটের সমন্বয় দেখা যায়। ব্যাকলেস, ডিপ নেক ও প্রিন্সেস কাটসহ নানা ধরনের ব্লাউজ তৈরিতে তারা দেশি-বিদেশি কাপড় ব্যবহার করেন। ব্লাউজের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের তাঁতের শাড়িও বিক্রি করে থাকে।

ব্লাউজের পাশাপাশি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের তাঁতের শাড়িও বিক্রি করে তারা।.৭ মাসে ৩৭ কেজি ওজন কমিয়ে র‍্যাম্পে ফিরেছেন মডেল মাশিয়াত, কীভাবে সম্ভব করলেন

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ না পেয়ে নিজেই উদ্যোক্তা খাদিজা

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

ভ্রমণ-সম্পর্কিত ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা খাদিজাতুল কোবরা সেই ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নতুন কিছু করার লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। ছোটবেলা থেকেই শাড়ির প্রতি তাঁর বিশেষ ভালো লাগা ছিল, তবে শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ খুঁজে পাওয়াটা তাঁর কাছে সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং মনে হতো। বাজারে মনের মতো ব্লাউজ না পাওয়ায় তিনি নিজেই ব্লাউজের নকশা করা শুরু করেন, যা পরবর্তীতে একটি সফল ব্যবসায়িক রূপ পায়।

২০২০ সালের জুন মাসে অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে 'চিত্রাঙ্গদা'র যাত্রা শুরু হয়। শুরুর দিকে খাদিজা নিজেই নকশা তৈরি, পণ্য সংরক্ষণ এবং অর্ডার গ্রহণের মতো সব কাজ বাসা থেকেই পরিচালনা করতেন। কাজের পরিধি বাড়তে থাকায় ২০২১ সালে তিনি পশ্চিম কাজীপাড়ায় একটি জায়গা ভাড়া নেন। শুরুতে এটি কেবল অফিস ও পণ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হলেও, ক্রেতাদের আগ্রহের কারণে এটি চিত্রাঙ্গদার 'এক্সপেরিয়েন্স জোন' হিসেবে গড়ে ওঠে। খাদিজা জানান, ঠিকানা প্রকাশের তিন দিনের মধ্যেই ক্রেতারা সেখানে আসতে শুরু করেন।

বর্তমানে চিত্রাঙ্গদার নিজস্ব ওয়েবসাইট ছাড়াও ধানমন্ডির হাটকাহন এবং চট্টগ্রামে বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কারখানা, অফিস ও অনলাইন কার্যক্রম মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ১৫ জন কর্মী কাজ করছেন। খাদিজা নিজেই সব ব্লাউজের নকশা করেন, যেখানে লেস, এমব্রয়ডারি ও আধুনিক কাটের সমন্বয় দেখা যায়। ব্যাকলেস, ডিপ নেক ও প্রিন্সেস কাটসহ নানা ধরনের ব্লাউজ তৈরিতে তারা দেশি-বিদেশি কাপড় ব্যবহার করেন। ব্লাউজের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের তাঁতের শাড়িও বিক্রি করে থাকে।

ব্লাউজের পাশাপাশি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের তাঁতের শাড়িও বিক্রি করে তারা।.৭ মাসে ৩৭ কেজি ওজন কমিয়ে র‍্যাম্পে ফিরেছেন মডেল মাশিয়াত, কীভাবে সম্ভব করলেন

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo