ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন পাস হলে বুমেরাং হতে পারে: টিআইবি বন্ধ কারখানা চালুর ঋণ বিতরণে মন্দা, বিতরণ মাত্র ৫৬১ কোটি টাকা আজকের খেলার সূচি: আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে ফিরছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজার আয়োজনে মুখরিত দেশজুড়ে মণ্ডপগুলো মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে ৮০ কিলোওয়াটের সোলার প্যানেল স্থাপন কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ৭ বিচ্ছেদের পর প্রকৃতির সান্নিধ্যে শেহতাজ, ভাইরাল নতুন ছবি বগুড়ায় সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্পে সাশ্রয়ের মুখ দেখছেন কৃষকরা

চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় দৈনন্দিন যত্নে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চুলের বাহ্যিক সৌন্দর্য কেবল মানুষের ব্যক্তিত্বকেই ফুটিয়ে তোলে না, বরং তা আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। বর্তমান সময়ে পরিবেশদূষণ, ধুলাবালি, মানসিক চাপ, অপর্যাপ্ত ঘুম এবং পুষ্টিহীনতার মতো বিভিন্ন কারণে চুল পড়া, খুশকি, রুক্ষতা ও আগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে উঠেছে। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চুলের সঠিক ও নিয়মিত যত্ন নেওয়া অপরিহার্য।

চুল পরিষ্কার রাখা যত্নের প্রথম ধাপ। তবে প্রতিদিন অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এতে চুলের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায়। শ্যাম্পু করার সময় মাথার ত্বকে নখ না লাগিয়ে আঙুলের ডগা দিয়ে আলতোভাবে ম্যাসাজ করতে হয় এবং এরপর কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল নরম ও জটমুক্ত থাকে। চুলের ধরন অনুযায়ী যত্ন নেওয়া জরুরি; শুষ্ক চুলের ক্ষেত্রে হিট স্টাইলিং এড়িয়ে চলা এবং তৈলাক্ত মাথার ত্বকের ক্ষেত্রে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা প্রয়োজন।

তেলের ব্যবহার আমাদের সমাজে প্রচলিত থাকলেও অতিরিক্ত তেল ব্যবহার মাথার ত্বকে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। এটি ব্যবহারের সময় জোরে ঘষাঘষি না করে আলতো ম্যাসাজ করা ভালো। চুলের সুস্থতায় পুষ্টিকর খাবার যেমন—ডাল, ডিম, মাছ, মাংস, শাকসবজি ও পর্যাপ্ত পানি পান করার কোনো বিকল্প নেই। কঠোর খাদ্যাভ্যাস বা পুষ্টির অভাব চুল পড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।

চুল স্টাইল করার জন্য ব্যবহৃত স্ট্রেইটনার বা হেয়ার ড্রায়ার অতিরিক্ত ব্যবহার করলে চুল ভঙ্গুর হয়ে যায়। তাই ঘন ঘন রাসায়নিক ট্রিটমেন্ট বা তাপের ব্যবহার কমানো উচিত। ভেজা চুল অনেক নাজুক থাকে, তাই গোসলের পর জোরে ঘষে শুকানো বা শক্ত করে আঁচড়ানো ঠিক নয়। নরম তোয়ালে দিয়ে পানি শুষে নিয়ে চওড়া দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করা ভালো।

অতিরিক্ত চুল পড়া, খুশকি বা মাথার ত্বকে ক্ষত দেখা দিলে নিজে থেকে ওষুধ ব্যবহার না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত শরীরচর্চা চুলের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রকৃত সৌন্দর্য আসে নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে, তাই দামি প্রসাধনীর চেয়ে সঠিক জীবনযাপন ও যত্নের দিকে মনোযোগ দেওয়াই চুলের সুস্থতার মূল চাবিকাঠি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় দৈনন্দিন যত্নে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

চুলের বাহ্যিক সৌন্দর্য কেবল মানুষের ব্যক্তিত্বকেই ফুটিয়ে তোলে না, বরং তা আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। বর্তমান সময়ে পরিবেশদূষণ, ধুলাবালি, মানসিক চাপ, অপর্যাপ্ত ঘুম এবং পুষ্টিহীনতার মতো বিভিন্ন কারণে চুল পড়া, খুশকি, রুক্ষতা ও আগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে উঠেছে। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চুলের সঠিক ও নিয়মিত যত্ন নেওয়া অপরিহার্য।

চুল পরিষ্কার রাখা যত্নের প্রথম ধাপ। তবে প্রতিদিন অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এতে চুলের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায়। শ্যাম্পু করার সময় মাথার ত্বকে নখ না লাগিয়ে আঙুলের ডগা দিয়ে আলতোভাবে ম্যাসাজ করতে হয় এবং এরপর কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল নরম ও জটমুক্ত থাকে। চুলের ধরন অনুযায়ী যত্ন নেওয়া জরুরি; শুষ্ক চুলের ক্ষেত্রে হিট স্টাইলিং এড়িয়ে চলা এবং তৈলাক্ত মাথার ত্বকের ক্ষেত্রে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা প্রয়োজন।

তেলের ব্যবহার আমাদের সমাজে প্রচলিত থাকলেও অতিরিক্ত তেল ব্যবহার মাথার ত্বকে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। এটি ব্যবহারের সময় জোরে ঘষাঘষি না করে আলতো ম্যাসাজ করা ভালো। চুলের সুস্থতায় পুষ্টিকর খাবার যেমন—ডাল, ডিম, মাছ, মাংস, শাকসবজি ও পর্যাপ্ত পানি পান করার কোনো বিকল্প নেই। কঠোর খাদ্যাভ্যাস বা পুষ্টির অভাব চুল পড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।

চুল স্টাইল করার জন্য ব্যবহৃত স্ট্রেইটনার বা হেয়ার ড্রায়ার অতিরিক্ত ব্যবহার করলে চুল ভঙ্গুর হয়ে যায়। তাই ঘন ঘন রাসায়নিক ট্রিটমেন্ট বা তাপের ব্যবহার কমানো উচিত। ভেজা চুল অনেক নাজুক থাকে, তাই গোসলের পর জোরে ঘষে শুকানো বা শক্ত করে আঁচড়ানো ঠিক নয়। নরম তোয়ালে দিয়ে পানি শুষে নিয়ে চওড়া দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করা ভালো।

অতিরিক্ত চুল পড়া, খুশকি বা মাথার ত্বকে ক্ষত দেখা দিলে নিজে থেকে ওষুধ ব্যবহার না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত শরীরচর্চা চুলের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রকৃত সৌন্দর্য আসে নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে, তাই দামি প্রসাধনীর চেয়ে সঠিক জীবনযাপন ও যত্নের দিকে মনোযোগ দেওয়াই চুলের সুস্থতার মূল চাবিকাঠি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin