যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে অস্ত্র হাতে নিচ্ছেন ইরানি নারীরা
- আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে ইরানের নারীরা সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন। তেহরানের কেন্দ্রীয় ইমাম হোসেইন স্কয়ারে 'ইরানের জন্য আত্মত্যাগ' নামের এক গণঅভিযানের অংশ হিসেবে তারা অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছেন। গত বুধবার এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীর কমান্ডার হোজ্জাতুল ইসলাম হোসেইন তাইয়েব উপস্থিত ছিলেন।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ দিকে তৃণমূল পর্যায়ের উদ্যোগ হিসেবে এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। মূলত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযান তীব্র আকার ধারণ করলে 'জনগণের প্রতিরক্ষা' ধারণার ওপর ভিত্তি করে এটি গড়ে ওঠে। ১৯৮০-এর দশকের ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়কার প্রতিরোধব্যবস্থার আদলে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তেহরান থেকে আরটি’র প্রতিবেদক সামান কোজুরি জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির মুখে বেসামরিক স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে আসা নারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আগ্রহীদের অনলাইনে নিবন্ধন করতে হয়। এরপর তাদের আগ্নেয়াস্ত্র, ছোট ড্রোন এবং কাঁধে বহনযোগ্য অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে কৌশলগত চিকিৎসাবিদ্যা বা ফার্স্ট এইড বিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষণও প্রদান করা হচ্ছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য পরবর্তী পর্যায়ে আরও উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।



























