ইরান ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে চীনের সহায়তা চান ডোনাল্ড ট্রাম্প
- আপডেট সময় : ০৯:২৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ অবসানে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে বেইজিংয়ের সহায়তা চেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৯৪৬ সালের ১৪ জুন নিউইয়র্কের কুইন্সে জন্মগ্রহণ করেন ডোনাল্ড জে ট্রাম্প। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি শপথ নেন। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি মূলত একজন ধনকুবের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হোটেল, বহুতল ভবন, গলফ কোর্স ও ক্যাসিনো ব্যবসার পাশাপাশি তিনি মিস ইউনিভার্সের স্পনসর এবং 'দ্য অ্যাপ্রেনটিস' নামের টিভি রিয়্যালিটি শোর উপস্থাপক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি রেসলিং ম্যাচও উপস্থাপনা করেছেন।
২০১৫ সালের ১৫ জুন ট্রাম্প আচমকা প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেন। শুরুতে তাঁর এই ঘোষণাকে অনেকে গুরুত্বের সঙ্গে নেননি এবং হাসিঠাট্টা করেছেন। তবে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর নির্বাচনে সব ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণ করে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে পরাজিত করেন তিনি। ট্রাম্পের বাবা ফ্রেড ট্রাম্প ছিলেন নিউইয়র্কের আবাসন ব্যবসায়ী এবং মা মেরি ট্রাম্প ছিলেন স্কটিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে ট্রাম্প চতুর্থ। চঞ্চল স্বভাবের কারণে তাঁকে নিউইয়র্ক মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে পাঠানো হয়েছিল। ১৯৬৮ সালে তিনি পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ারটন স্কুল থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে ট্রাম্প তিনবার বিয়ে করেছেন এবং পাঁচ সন্তানের জনক। তাঁর প্রথম স্ত্রী চেক মডেল ইভানা (বিচ্ছেদ ১৯৯২), দ্বিতীয় স্ত্রী মার্লা ম্যাপলস (বিচ্ছেদ ১৯৯৯) এবং তৃতীয় স্ত্রী মডেল মেলানিয়া ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প নানা বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন। রাশিয়া ও দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি তাঁর অনুরাগের কথা প্রকাশ্যে আসার পর নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছে। এছাড়া অভিবাসী, নারী, মুসলমান ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অশালীন আচরণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগও রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মুসলিম নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন বিষয়ে জারি করা তাঁর নির্বাহী আদেশগুলো হোঁচট খেয়েছে। প্রশাসন চালাতে গিয়ে তিনি বেশ চাপের মুখে পড়েছেন এবং প্রথম বছরেই তাঁর প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা বিদায় নিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তাঁর লড়াই নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং তাঁর মানসিক সুস্থতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এতসব বিতর্ক ও সমালোচনা সত্ত্বেও তিনি দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন করার ইচ্ছার কথা জানিয়ে রেখেছেন।
prothomalo-bangla/2026-09-25/bylxc4o5/Trump–Xi.jpg
prothomalo-bangla/2026-09-25/m1s3irsw/xi-1.JPG




























