ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের মঞ্চে ট্রাম্পের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট ওমান উপকূলে মিসাইল হামলার কবলে বাংলাদেশি নাবিকদের জাহাজ

নিরাপত্তা পরিষদ অচল, বিশ্ব পরিস্থিতি সংকটাপন্ন: গুতেরেস

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন যে, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিধি বাড়ছে এবং সংঘাতগুলো ক্রমাগত জটিল আকার ধারণ করছে। সোমবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক বিভাজন এতটাই গভীর যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও অসহায় মানুষগুলো চরম সংকটের মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মহাসচিব হিসেবে নিজের শেষ ভাষণ দেওয়ার ঠিক আগের দিন এই সাক্ষাৎকারটি দেন গুতেরেস। তিনি বলেন, বর্তমানে এক ধরনের দায়মুক্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে মাঝারি শক্তির দেশগুলো মনে করছে যে তারা যেকোনো কাজ করলেও কোনো পরিণতি ভোগ করতে হবে না।

গুতেরেস রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবের কথা তুলে ধরে বলেন, এর ফলে খাদ্য ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিসহ বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন করে তুলছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, উন্নত দেশগুলোতে সুদের হার ও জ্বালানির দাম বাড়লে তা সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও উন্নয়নশীল বিশ্বের মানুষ খাদ্য ও সারের সংকটের কারণে অত্যন্ত নাজুক পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে।

পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার গুতেরেস ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব নেন। তার বর্তমান মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা। তার উত্তরসূরি এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে গুতেরেসের মতে, একাধিক সংকটে জর্জরিত জাতিসংঘকে বৈশ্বিক অঙ্গনে প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাখতে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এই পরিষদ এখনো মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বিশ্বব্যবস্থাকেই প্রতিনিধিত্ব করছে।

গুতেরেসের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি, সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল এবং ইকুয়েডরের কূটনীতিক মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা। জাতিসংঘ মহাসচিব পদে কোনো প্রার্থীকে সুপারিশ করতে হলে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে অন্তত ৯ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। একই সঙ্গে পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য—চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সদস্যের ভেটো পাওয়া যাবে না। এরপর সাধারণ পরিষদের ভোটে মহাসচিব নিয়োগ চূড়ান্ত হয়।

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০: ৫৮আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ০০

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

নিরাপত্তা পরিষদ অচল, বিশ্ব পরিস্থিতি সংকটাপন্ন: গুতেরেস

আপডেট সময় : ০১:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন যে, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিধি বাড়ছে এবং সংঘাতগুলো ক্রমাগত জটিল আকার ধারণ করছে। সোমবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক বিভাজন এতটাই গভীর যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও অসহায় মানুষগুলো চরম সংকটের মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মহাসচিব হিসেবে নিজের শেষ ভাষণ দেওয়ার ঠিক আগের দিন এই সাক্ষাৎকারটি দেন গুতেরেস। তিনি বলেন, বর্তমানে এক ধরনের দায়মুক্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে মাঝারি শক্তির দেশগুলো মনে করছে যে তারা যেকোনো কাজ করলেও কোনো পরিণতি ভোগ করতে হবে না।

গুতেরেস রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবের কথা তুলে ধরে বলেন, এর ফলে খাদ্য ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিসহ বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন করে তুলছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, উন্নত দেশগুলোতে সুদের হার ও জ্বালানির দাম বাড়লে তা সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও উন্নয়নশীল বিশ্বের মানুষ খাদ্য ও সারের সংকটের কারণে অত্যন্ত নাজুক পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে।

পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার গুতেরেস ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব নেন। তার বর্তমান মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা। তার উত্তরসূরি এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে গুতেরেসের মতে, একাধিক সংকটে জর্জরিত জাতিসংঘকে বৈশ্বিক অঙ্গনে প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাখতে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এই পরিষদ এখনো মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বিশ্বব্যবস্থাকেই প্রতিনিধিত্ব করছে।

গুতেরেসের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি, সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল এবং ইকুয়েডরের কূটনীতিক মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা। জাতিসংঘ মহাসচিব পদে কোনো প্রার্থীকে সুপারিশ করতে হলে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে অন্তত ৯ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। একই সঙ্গে পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য—চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সদস্যের ভেটো পাওয়া যাবে না। এরপর সাধারণ পরিষদের ভোটে মহাসচিব নিয়োগ চূড়ান্ত হয়।

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০: ৫৮আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ০০

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh