ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তেলুগু তারকা নানির ক্যারিয়ার, সম্পদ ও আসন্ন সিনেমার গল্প জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দীর্ঘ ২৮ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো কোনো নির্বাচনে ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ছাড়াই ভোট হতে যাচ্ছে। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, তবে এই নির্বাচনে প্রতীকটি ব্যবহারের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার রাতে এক আদেশে কমিশন জানিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের মূল নেতৃত্ব, দলের তহবিলের নিয়ন্ত্রণ এবং কোন পক্ষকে প্রকৃত দল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে—এই বিষয়গুলোর চূড়ান্ত ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত প্রতীকটি ব্যবহারের সুযোগ নেই।

তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা এসেছে। এর ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারী এবং ঋতব্রতপন্থি—উভয় পক্ষকেই নির্বাচন কমিশনের সংরক্ষিত তালিকা থেকে আলাদা আলাদা প্রতীক বেছে নিতে হবে। শুধু প্রতীক নয়, কমিশন দুই পক্ষকে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। উভয় শিবিরকে আলাদা নাম বেছে নিতে বলা হলেও, তারা চাইলে নামের সঙ্গে মূল দলের সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করতে পারবে।

উল্লেখ্য, গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলে অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। ২৯৪ আসনের মধ্যে জয়ী ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সমর্থন জানানোর পর থেকে দুই শিবিরের মধ্যে দলীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র দ্বন্দ্ব চলছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিধানসভায় বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃত।

১৯৯৮ সালে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর থেকে জোড়াফুল প্রতীকটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। দলের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী, এই প্রতীকটির নকশা তিনি নিজেই করেছিলেন, যা পরবর্তীতে ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগানের সঙ্গে মিশে যায়। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বর্তমান সিদ্ধান্তটি দলীয় নিয়ন্ত্রণ বা প্রতীকের ওপর চূড়ান্ত কোনো রায় নয়। সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ০৪:২৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ ২৮ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো কোনো নির্বাচনে ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ছাড়াই ভোট হতে যাচ্ছে। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, তবে এই নির্বাচনে প্রতীকটি ব্যবহারের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার রাতে এক আদেশে কমিশন জানিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের মূল নেতৃত্ব, দলের তহবিলের নিয়ন্ত্রণ এবং কোন পক্ষকে প্রকৃত দল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে—এই বিষয়গুলোর চূড়ান্ত ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত প্রতীকটি ব্যবহারের সুযোগ নেই।

তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা এসেছে। এর ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারী এবং ঋতব্রতপন্থি—উভয় পক্ষকেই নির্বাচন কমিশনের সংরক্ষিত তালিকা থেকে আলাদা আলাদা প্রতীক বেছে নিতে হবে। শুধু প্রতীক নয়, কমিশন দুই পক্ষকে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। উভয় শিবিরকে আলাদা নাম বেছে নিতে বলা হলেও, তারা চাইলে নামের সঙ্গে মূল দলের সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করতে পারবে।

উল্লেখ্য, গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলে অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। ২৯৪ আসনের মধ্যে জয়ী ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সমর্থন জানানোর পর থেকে দুই শিবিরের মধ্যে দলীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র দ্বন্দ্ব চলছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিধানসভায় বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃত।

১৯৯৮ সালে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর থেকে জোড়াফুল প্রতীকটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। দলের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী, এই প্রতীকটির নকশা তিনি নিজেই করেছিলেন, যা পরবর্তীতে ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগানের সঙ্গে মিশে যায়। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বর্তমান সিদ্ধান্তটি দলীয় নিয়ন্ত্রণ বা প্রতীকের ওপর চূড়ান্ত কোনো রায় নয়। সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin