ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্লুলেস ডাকাতির রহস্য উদঘাটন করে শ্রেষ্ঠ ডিবি কর্মকর্তা মফিজুল সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন, ওসির বিরুদ্ধে ক্ষোভ মানবজমিন-এ রিপোর্টার পদে লিখিত পরীক্ষা ২৯ সেপ্টেম্বর বরিশালে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের বিক্ষোভ ভাঙ্গায় ১২০ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপসহ মা-মেয়েসহ তিনজন আটক জুড়ী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ৩৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ নতুন তিন আইনে বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা সংকুচিত হয়েছে: এইচআরডব্লিউ ৮৫ বছর বয়সে না ফেরার দেশে মার্কিন অভিনেতা জেমস স্লোয়ান নবীনগরে নতুন এসিল্যান্ড হিসেবে যোগ দিলেন শারমিন সুলতানা জাতিসংঘে প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর ১০ কর্মসূচি ও কূটনৈতিক তৎপরতা

হুতিদের লাগাম টানতে চীনের দ্বারস্থ সৌদি আরব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সামরিক তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আনতে ইরানকে ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ জানানোর জন্য চীনের সহায়তা চেয়েছে সৌদি আরব। গত এক সপ্তাহে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সামরিক তৎপরতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় রিয়াদ বেইজিংয়ের দ্বারস্থ হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি ইরানি সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, লোহিত সাগরের উপকূল এবং বাব আল-মান্দাব প্রণালির আশপাশে হুতিদের দ্রুত অগ্রগতির ফলে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ও জাহাজ চলাচল ব্যবস্থা নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রিয়াদ চীনের কাছে এই সহায়তা চেয়েছে। চীন আনুষ্ঠানিকভাবে এই অঞ্চলে সংযম, সংলাপ এবং নিরাপদ নৌ চলাচল পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে বেইজিং ব্যক্তিগত বার্তায় আরও জোরালো অবস্থান নিয়েছে বলে সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে চীনের জ্বালানি পরিবহনপথগুলোতে অস্থিতিশীলতা যেন না ছড়ায়, সে বিষয়ে বেইজিং উদ্বিগ্ন।

তবে চীনের এই বার্তা কীভাবে তেহরানের কাছে পৌঁছানো হয়েছে বা বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির চীন সফরের সময় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, সে সম্পর্কে সূত্রগুলো বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ইরানি সূত্রগুলোর ভাষ্যমতে, তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, চীনা কর্মকর্তারা তেহরানকে কোনো সরাসরি হুমকি দেননি। এমনকি হুতিদের ওপর প্রভাব খাটাতে ব্যর্থ হলে বেইজিং তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করবে—এমন কোনো ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি। রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইয়েমেন ও লোহিত সাগরে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ুক তা চায় না। বেইজিং সব দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতি সম্মান দেখানো এবং মানুষের জীবনযাত্রার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি সরকারের মিডিয়া অফিস।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

হুতিদের লাগাম টানতে চীনের দ্বারস্থ সৌদি আরব

আপডেট সময় : ১২:২৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সামরিক তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আনতে ইরানকে ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ জানানোর জন্য চীনের সহায়তা চেয়েছে সৌদি আরব। গত এক সপ্তাহে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সামরিক তৎপরতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় রিয়াদ বেইজিংয়ের দ্বারস্থ হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি ইরানি সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, লোহিত সাগরের উপকূল এবং বাব আল-মান্দাব প্রণালির আশপাশে হুতিদের দ্রুত অগ্রগতির ফলে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ও জাহাজ চলাচল ব্যবস্থা নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রিয়াদ চীনের কাছে এই সহায়তা চেয়েছে। চীন আনুষ্ঠানিকভাবে এই অঞ্চলে সংযম, সংলাপ এবং নিরাপদ নৌ চলাচল পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে বেইজিং ব্যক্তিগত বার্তায় আরও জোরালো অবস্থান নিয়েছে বলে সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে চীনের জ্বালানি পরিবহনপথগুলোতে অস্থিতিশীলতা যেন না ছড়ায়, সে বিষয়ে বেইজিং উদ্বিগ্ন।

তবে চীনের এই বার্তা কীভাবে তেহরানের কাছে পৌঁছানো হয়েছে বা বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির চীন সফরের সময় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, সে সম্পর্কে সূত্রগুলো বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ইরানি সূত্রগুলোর ভাষ্যমতে, তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, চীনা কর্মকর্তারা তেহরানকে কোনো সরাসরি হুমকি দেননি। এমনকি হুতিদের ওপর প্রভাব খাটাতে ব্যর্থ হলে বেইজিং তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করবে—এমন কোনো ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি। রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইয়েমেন ও লোহিত সাগরে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ুক তা চায় না। বেইজিং সব দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতি সম্মান দেখানো এবং মানুষের জীবনযাত্রার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি সরকারের মিডিয়া অফিস।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin